সুন্দরবন দেশের পর্যটকদের হাত ছানি উপেক্ষা করা কঠিন
অমল গুপ্ত, কান্দি জেল রোড, কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গের ক্যানিং জল জঙ্গলের রঙিন ক্যানভাস।শয়ে শয়ে নদী নালা বিল জল জঙ্গল বিশ্বের কাছে পৃথক পরিচয় তুলে ধরেছে।রয়েল বেঙ্গল বাঘের আবাসস্থল সুন্দরবন। সেই বাঘ আর নেই।কয়েকশ থেকে কমে ১০৭ টি তে দাঁড়িয়েছে।গত ৪ জানুয়ারি মর্নিং বার্ড বাসে চেপে অশেষ যন্ত্রনা নিয়ে কানিং এ লঞ্চে চেপে সব যন্ত্রণার উপশম হয়।১০,১২ ঘণ্টা জার্নির পর সবার পাকস্থলী খালি হয়ে গেছিল।সবার খিদে পেয়ে গিয়েছিল। আন লিমিটেড গরম লুচি আলুর দম আর জায়নগরের মোয়া খেয়ে প্রাণ জুড়িয়ে গেল। যাত্রীদের মধ্যে পায়েল মণ্ডল তো বিরাট খুশি লুচির প্লেটের ছবি তুলে নেয়।সঙ্গে চিকেন পাকড়ির ছবিও ।দুপুরে মাছ মাংস ,চাটনি , ,কমলা লেবু ইত্যাদি খেয়ে ঘুরতে বেরোই। বাঙালিদের পছন্দ সুন্দর বনের স্মৃতি ধরে রাখার জন্যে সবাই সেলফি তুলতে ব্যস্ত । সঙ্গের যাত্রী সুভাষ মণ্ডল ও সফরের স্মৃতি সেলফিতে ধরে রাখে।ফিরে যাবার দিন আমাদের লঞ্চ নদী চরে আটকে যায় বাঘ আটকানোর তারের বেড়া মধ্যে ঢুকে যায়। গত দুবছরে বাঘে মানুষের সংঘর্ষ হয়েছে।অসমের কাজীরঙ্গা ৮০০ বর্গ কিলোমিটার জঙ্গলে আড়াই হাজার বিপন্ন প্রজাতির এক খড়গ বিশিষ্ট গণ্ডার সহজেই দেখা যায়।কিন্তু সুন্দরবনের তুলনায় বাঘের সংখ্যা বেশি প্রায় ১৫০ বাঘ আছে কিন্তু দেখা যায়না। দুই জঙ্গলে পরিবেশ দূষণ চলছে।প্রায় ৫০০ লঞ্চে ডিজেল কেরোসিন ব্যবহার করে ইঞ্জিন ব্যবহার হচ্ছে সুন্দরবনে, মেশিনের ঘর ঘর যান্ত্রিক শব্দ জলে প্রভাব পড়ছে।অপরদিকে কাজিরাঙ্গ প্রতিদিন প্রায় ৩০০ জীপ সাফারি চলে।প্রতি গাড়িতে পাঁচ লিটার ডিজেল ব্যবহার করা হয়। ব্যাটারী চালিত ইঞ্জিনের গাড়ি হলে সুন্দরবন প্রদূষণ কমবে। সুন্দরবনে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে।








কোন মন্তব্য নেই