Header Ads

সবুজ- বিনাশী উন্নয়নের মাশুল তুলছে গরম

সবুজ- বিনাশী উন্নয়নের মাশুল তুলছে গরম
মার্চই প্রবল গরমে সাক্ষী হয়েছে বাংলা আর এপ্রিলের এখন হাঁসফাঁস অবস্থা দিনের রোদের সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে জীবন বেরিয়ে যাচ্ছে। রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যে অর্থে নামছে না। সব মিলিয়ে বিষম উপস্থিতির মধ্যে পড়েছেন রাজ্যবাসী। সপ্তাহ ধরে এমন তাপমাত্রা চলছে থাকার ঘটনা আগে এরাজ্য দেখে নি। পুড়তে থাকা এই অবস্থা থেকে কবে মুক্তি মিলবে সেটাও বলা যাচ্ছে না।
 হঠাৎ করে এমন পরিস্থিতি হয়নি এটা যেমন সত্য তেমনই এই ছেঁকা লাগা গরম থেকে মুক্তি একদিনেই মিলবে না। কারণ জলবায়ু পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। বিশ্ব জুড়ে আগেই জলবায়ু ক্ষেত্রেই এই পরবর্তী হয়েছে। সব মিলিয়ে তাই এখন ভূতাপের বৃদ্ধি একবারে স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। গ্ৰীষ্মে যেমন গরম তেমনই একইভাবে শীতে ভীষণ ঠান্ডা পড়তে থাকবে।
    কিন্তু দক্ষিণবঙ্গে বাঁকুড়া পুরুলিয়া পানাগড়ের সঙ্গে এক আসনে কলকাতায় চলে আসাটা কার্যত একটা বড় বিপর্যয় বলেই মনে করেছেন বিশিষ্ট পরিবেশবিদ সৌমেন্দ্রমোহন ঘোষ। তিনি জানাচ্ছেন উন্নয়নের নামে যেভাবে কল্লোলিনীর বনাঞ্চল আর জলাশয়র শেষ করে দেওয়া হচ্ছে তাতে গরমের সঙ্গে লড়াই করাটা খুব কঠিন। পরিবেশের বাড়তি তাপমাত্রার সঙ্গে পরিবেশের যেসব উপাদান লড়তে পারে সেই গাছ ফাঁকা জমি কিংবা জলাশয়ের মতো বাস্ততান্ত্রিক উপাদান ক্রমশ কমছে কলকাতা সহ গোটা রাজ্য। যে কোনও বড় শহরের থেকে কলকাতার জনঘনত্ব অনেক বেশি থাকায় লাগামছাড়া গরম জনতার কাছে আরও বেশি ঠকছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.