Header Ads

অসমিয়া উগ্র প্রাদেশিক সংগঠন গুলি বাঙালি আবেগ দুর্গা পুজো কে ক অপমান করার প্রতিবাদে ক্ষুদিরাম মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ প্রদর্শন

 নয়া  ঠাহর। শিলচর 

বিগত দূৰ্গাপূজার সময়ে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে রাজ্যের উগ্র-প্রাদেশিকতাবাদী সংগঠন 'লাচিত সেনা', 'আসু' এবং 'অসমীয়া যুব মঞ্চ' বাংলা ভাষায় লেখা ব্যানার ছিড়ে ফেলার প্রতিবাদ আগামীকাল সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত শহীদ ক্ষুদিরাম মূর্তির পাদদেশে যে ধর্ণা প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা সফল করতে আহ্বান জানিয়েছেন আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ড. তপোধীর ভট্টাচার্য। এক প্রেস বার্তায় তিনি জানান যে স্বাধীনতার পর থেকেই উগ্র-প্রাদেশিকতাবাদী শক্তি ক্ষমতাসীন দলের মদতে রাজ্যের ভাষিক সংখ্যালঘুদের সাংবিধানিক অধিকার, নাগরিকত্ব এবং মাতৃভাষার মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার ধারাবাহিক প্রয়াস চালাচ্ছে। তিনি বলেন ১৯৬১, ১৯৭২, ১৯৮৬ সালে উগ্র-প্রাদেশিকতাবাদী শক্তির কুচক্রান্তকে বাস্তবায়িত করতে রাজ্য সরকারগুলো ভাষিক সংখ্যালঘুদের মাতৃভাষার মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে বরাক উপত্যকায় ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন সংগঠিত হয় এবং জনগণের আত্মবলিদানের মধ্য দিয়ে মাতৃভাষার অধিকার রক্ষা পায়। তিনি বলেন ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় বারবার উগ্র-প্রাদেশিকতাবাদী শক্তির আক্রমণের শিকার হয় অসংখ্য নিরপরাধ ভাষিক ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু সাধারণ মানুষ। 'ডি'- ভোটার, ডিটেনশন ক্যাম্প, এন আর সি'র তৈরির নামে অসংখ্য ভারতীয় ভাষিক সংখ্যালঘু জনগণের নাগরিকত্ব ও জীবন কেড়ে নেওয়া হয়। বর্তমানেও উচ্ছেদের নামে মুলত ভিটেচ্যুত করা হচ্ছে ভাষিক সংখ্যালঘুদের। ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় বাংলা ভাষী জনগণ নিজেদের উৎসবে মাতৃভাষায় লেখা বেনার কোন আগ্রাসনের উদ্দেশ্যে টাঙ্গাননি। সেগুলো জোর করে ছিড়ে ফেলা, হুমকি দেওয়া ইত্যাদি তীব্র ভাষা বিদ্বেষের ঘটনা ছাড়া আর কিছু নয়। 
তাই আগামী ৪ নভেম্বর শনিবার বেলা ১১ টায় শিলচরের ক্ষুদিরাম মূর্তির পাদদেশে উগ্র-প্রাদেশিকতাবাদী শক্তির বাংলা ভাষায় লেখা ব্যানার ছিড়ে ফেলা ও হামলা, হুমকি প্রদর্শনের প্রতিবাদে একটি প্রতিবাদী কার্যসূচী পালন করা হবে। উক্ত কাৰ্যসূচীতে সবার উপস্থিতি কামনা করেন তিনি।

সংবাদদাতা 
সাধন পুরকায়স্হ

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.