Header Ads

অসমের মুখ্যমন্ত্রী কোটি বাঙালি র দুর্গা পুজোর আবেগ কে গুরুত্ব না দিয়ে আগুন নিয়ে খেলছেন

অমল  গুপ্ত।   মুখ্যমন্ত্রী    এবার   বরাক উপত্যকা  গিয়ে  দুর্গা পুজো তে প্রণাম ও শ্রদ্ধা  জানিয়েছেন  খুব  ভাল  কথা।  সেই  দুর্গা পুজো কে  যারা  পুজোর  বাঙালি  আবেগ  কে   ধুলো তে লুটিয়ে  দিল    সেই  তথাকথিত লোকগুলো র   টিকি ছুঁতে  পারলো  না  মুখ্যমন্ত্রী র পুলিশ  ।আর  দুর্গা পুজো কে  অপবিত্র  করার  প্রতিবাদে  লঙ্কা  তে সভা  করলেন  সেই  বাঙালি  যুব নেতা  দীপক  দে সহ কয়েকজন  কে  গ্রেফতার  করে  ব্রহ্মপুত্র  উপত্যকা  তে  বাঙালি  বিরোধী  স্থিতি  পোক্ত  করলেন  যা এত দিন বরাক এর  মধ্যে  সীমিত  ছিল।বরাক   গণতান্ত্রিক  ফ্রন্টের  নেতা  প্রদীপ  দত্ত  রায়  ইতিমধ্যে  বলেছেন  এবার ব্রহ্মপুত্র  উপত্যকার  বাঙালি  রা  জাগছে    আন্দোলন  শুরু করবে। কয়েক দিন আগে   কাজী রাঙা  এক resort  এ আত্মসমর্পণ  করা  আলফার  এক  গোপন   সভা  হয়েছিল  সেখানে   সিদ্ধান্ত নেওয়া  হয়েছে  126 টি বিধান সভা  আসনের   মধ্যে  91 টি  আসন সংরক্ষণ  করে    আলফা  কে   রাজ্যের  দায়িত্ব  দিতে  হবে।কেন্দ্রীয়  সরকার   নাকি এই প্রস্তাব  মেনে নেবে বলে  কাজী রাঙা  এক সুত্র   দাবি  করে।   এন আর সি   থেকে 19 লাখ  মানুষের  নাম    কাটা  হয়েছে  তার মধ্যে  প্রায়  13 লাখ বাঙালি  হিন্দু।তারা  স্বাধীনতার  বহু আগে অসমে  এসেছে । 1951 সালের আগের  নথি দেখিয়ে  কোনো দিন অসমে  একটুখানি  জমি  পাবেনা   তারা   তিন পুরুষের  আগের  নথি  দেখাতে  পারবে না।  বিজেপি  সরকার   সেই  দাবী  করছে।নাগরিকত্ব  সংশোধনী  আইন   ভোট  এ জেতার  লক্ষে   ব্যবহার  করা  হচ্ছে  কোন দিন  বাস্তবায়িত  হবে  না।  পশ্চিমবঙ্গ এ  তৃণমূল  ভোটের  দিকে তাকিয়ে   করা হচ্ছে   বঙ্গের   কোটি কোটি  উদ্বাস্তু  বাঙালি  হিন্দু  আজ ও  স্বাধীনতার অমৃত  উৎসবের  বছরেরও  এক টুকরো  জমি পাইনি   । অস্থায়ী    বাঁশ   টিনের  জীবন  চর্চা   .দেখে  আসুন বঙ্গের বারাসত,  সুন্দরবন, মাধ্যম গ্রাম । বঙ্গের  প্রবাদ প্রতিম মুখ্যমন্ত্রী  জ্যোতি  বসু  তো  উদ্বাস্তু  বাঙালি  হিন্দুদের  গুলি করে  মেরেছে  মরিচ  ঝাঁপ  তে। আমি      Andamaner  এক দ্বীপে   বাংলা  জীবন  খুঁজতে  গিয়ে  এক  নৌকায়  এক  উদ্বাস্তু  বাঙালি  কে পেলাম  ঝোলা  তে সামুদ্রিক  মাছ আর  ফুল কপি  নিয়ে সবুজ পাহাড়ের  মাথায়  নারকেল  গাছের  ছায়া ঘেরা  গ্রামের   যাওয়া র  কথা   '     বিশ্বাস   টাইটেল  অতি সাধারণ পোশাক  পরিহিত  গরিব  মানুষটি  আমাকে  বললেন  ""আপনাদের  জ্যোতি  বসু কে  বলে দেবেন আমরা  অনেক  ভাল আছি শান্তিতে  আছি  মরলে ও  বঙ্গে যাব  না।""আমি আমার   বইয়ে আগেই  উল্লেখ  করেছি       । 2008 Andaman গিয়েছিলাম  আজও   বঙ্গের  উদ্বাস্তু  বাঙালি  রা  উপযুক্ত  সম্মান  বাসস্থান  শান্তি   পায়নি পথে ঘাটে ফুটপাথে জীবন যাত্রা।।অসম সহ.উত্তর পূর্বে  প্রায় দের কোটি  উদ্বাস্তু  বাঙালি   আজও  পথে  পথে   প্রকৃত জীবন  খুঁজে পায়নি।কয়েকবছর  আগে  বাংলাদেশে গিয়ে  ওখানকার বাঙালি  হিন্দুদের  জিজ্ঞাসা  করলাম কেমন আছেন  জবাবে জানান  "মার খেয়ে ও শান্তিতে  আছি   তৃণমূল  রাজ্যে  কোনো  সম্মান  নিরাপত্তা নেই  মুসলিমদের  নিরাপত্তা আছে "  . ওখানে  বাংলা  ভাষা র ব্যবহার  খুব খুশি  হয়েছিলাম।  উদ্বাস্তু  বাঙালি  রা  না অসমে না বাংলা তে   মুল্য  পায়না  সম্মান  নেই। অসমের  বিজেপি  রাজত্ব     কালে  উদ্বাস্তু  বাঙালি দের  ditenson  ক্যাম্প" ,  ডি  ভোটার   ,এক. ভয়ানক   অস্ত্র .যা  স্বাধীন ভারতে  নজির নেই। লালকৃষ্ণ  আডবাণী:  নেহরু,   lalbadur শাস্ত্রী  প্রমুখ  সংসদে  স্পষ্ট  আশ্বাস  দিয়ে ছিলেন  উদ্বাস্তু  বাঙালি  হিন্দুরা   bonafied শরণার্থী  ভারতে তাদের জীবন  জীবিকার  দায়িত্ব  ভারত সরকারের । সেই দায়িত্ব  পালন  করতে হবে। আজ স্বাধীনতার  75 বছর  পরেও  দেশের  প্রায় 7 কোটি   বাঙালি  হিন্দু  ;উদ্বাস্তু  অসম  বঙ্গ,বিহার,   ত্রিপুরার  পথে  প্রান্তরে  পরিযায়ী  শ্রমিকের  মত  অনিশ্চিত  জীবন  যাপন  করছেন.  তাদের  দুর্গা মণ্ডপ  তো   lachit  সেনা  ভেঙে     দেবে  প্রতিবাদ করলে  দীপক  দে দের   মত  বাঙালি নেতাদের গ্রেফতার  করা হবে।কারণ  তারা জেনে গেছে  বাঙালি  হিন্দুরা  আজ মেরুদণ্ড  হীন  দুর্বল  লড়াই  করতে    জানেনা।ক্ষুদিরাম  নেতাজী,  সূর্য  সেন   রা   আজ   সোনালি  অতীত  তাদের  ভেঙে  আর কতদিন  খাওয়া  যেতে  পারে?? বড় দুর্ভাগ্য  বাঙালি  দের ।  আজও   জীবন  নিরাপত্তা  সুনিশ্চিত হল না। এখন  কিছুদিন  ভাল থাকবেন  কারণ  ভোট  আসছে। তবে  বাঙালি  দের  কান ধরে উঠা বসা   করানোর  খেলা  ভোটের আগে পর্যন্ত  চলবে  কারণ  বাংলা দেশী'  বিদেশী  ভয় দেখিয়ে  এক কোটি  বাঙালি  র ভোট  টা  তো  নিতে  হবে। !  সুর সুর  করে হাতে কিছু  টাকা  আর  নানা আশ্বাস  পেয়ে   লাল পদ্ম কে  ভোট টি  দেবে  এবিষয়ে  100 শতাংশ  নিশ্চিত।










   






কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.