Header Ads

অসমে দুর্গা পুজো তে হোর্ডিং 'baner ছিড়ে দিলে কেউ গ্রেফতার হয়না " এর প্রতিবাদ সভা করায় বাঙালি নেতা নেতা দীপক দে আজ গ্রেফতার

নগাঁও,১ নভেম্বর:: "সারা অসম বাঙালি যুবছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি দীপক দে-কে গ্রেপ্তার করা কার্য অত্যন্ত ধিক্কার জনক!" নাগরিক অধিকার রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন পাল রাজ্যে শাসনাধিষ্ঠিত সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার প্রকাশ করে বলেন, দূর্গাপূজোর আনন্দে বাঙালিরা খুব আবেগ প্রবণ  হওয়াটাই স্বাভাবিক। ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার কিছুসংখ্যক উদ্যোক্তারা বাংলা ভাষায় ব্যানার পূজো পেণ্ডেলে লাগিয়েছিলো। যদিও পূজোর ভাবাবেগের কথা তোয়াক্কা না করেই  উগ্র জাতীয়তাবাদী কয়েকজন তথাকথিত নেতা অভব্য আচরণ করেন। ওই ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। অথচ গত দশ দিন ধরে রাজ্য সরকার এই বিষয়ে মৌনব্রত পালন করে আসছে। আজ হোজাই জেলার লঙ্কা শহরে এমন ঘটনার বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদী সভা অনুষ্ঠিত করার কথা ছিলো। এই সভায় চিত্তরঞ্জন পালেরও অংশগ্রহণ করার কথা ছিলো। কিন্তু গতকাল রাতে জানা গেছে যে প্রশাসন ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে এই সভার অনুমতি দেয় নি।  যদিও হাজার হাজার মানুষ আজ সভার নির্দ্দিষ্ট স্থানে পৌঁছনোর পর দীপক দে অনানুষ্ঠানিক ভাবে প্রতিবাদী ভাষণ দেন। কথায় আছে না, "ভাত দেওয়ার ভাতার নয়, কিন্তু কিল দেওয়ার গোঁসাই"। একদিকে অপরাধীদের ধরবে না, কিন্তু প্রতিবাদ করতে গেলে গ্রেপ্তার করবে। চিত্তরঞ্জন পাল আরও বলেন, বাঙালির ভোটে নির্বাচিত সরকার বাঙালির সঙ্গেই এমন দুর্ব্যবহার করছে। ডিলিমিটেশন করে বাঙালির রাজনৈতিক ক্ষমতা হ্রাস করেছে, সরকারি খাস জমিতে বাঙালির কোন অধিকার নেই, ১৯৫১ সালের আগের প্রমাণ সহ তিন পুরুষের নথি লাগবে, পৃথক বরাক নিয়ে বাঙালিকে আলফার হুমকি, আলোচনা পন্থী আলফা ১৯৫১ সালকে ভিত্তিবর্ষ করার দাবি জানাবে আগন্তুক ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে। এতো কিছুর পরও ব্যানার ছেঁড়ার দশদিন পর মুখ্যমন্ত্রী ডঃ হিমন্তবিশ্ব শর্মা স্বভাব সুলভ ভাবে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেছেন, অসমে নাকি মাত্র তিন চার জন ব্যাক্তি অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছেন। এতে গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই। যদি  তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি এমন হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন আসে, প্রদীপ দত্তরায় কে কেন গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিলো, কেনই বা তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো? যদিও কোন ভাষার প্রতি অমর্যদা করা আমি সমর্থন করি না। গত চল্লিশ বছরে বাঙালির মনোবিজ্ঞান সম্পর্কে যতোটুকু বুঝতে শিখেছি, এতে মনে হচ্ছে, বাঙালি যেমন নিজের পায়ে কুড়োল মেরেছিল, অনুরূপ ভাবে বিজেপি সরকারও নিজের পায়ে কুড়োল মেরেছে। আগামি দিনে বোঝা যাবে। বরাক ও ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বাঙালিরা বিজেপি কে সমুচিত শিক্ষা দেবেন কী না।ফেডারেশন  নেতা  দীপক  দে কে পরে ব্যাক্তিগত   bonde পুলিশ  ছেড়ে  দেয়। আজ রাতে  বিষয় টি  মুখ্যমন্ত্রী   কে জানানো  হয়।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.