Header Ads

অকালে চলে গেলেন তিনসুকিয়ার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গোপাল বসু

 

সংবাদদাতা, তিনসুকিয়া : ১৪ মে সকাল বেলা হৃদরগে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেনউজান সাহিত্য গষ্ঠীর তিনসুকিয়ার সদস্য, লেখক, সম্পাদক, সমাজকর্মী গপাল বসু। বাড়িতেই অসুস্থ ছিলেন। জ্বর ছিল না। কফ ছিল। ডাক্তার দেখিয়েছিলেন। চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু ডাক্তার কোভিড বলেননি। অগত্যা পরীক্ষা করা হয়নি। ১৪ মে শুক্রবার ভর বেলা শ্বাস নিতে পারছিলেন না বলে তড়িঘড়ি তিনসুকিয়া অসামরিক হাসপাতালে নিয়ে যেতেই তাঁকে মৃত বলে ঘষণা করে। যেহেতু তাঁর কোভিড হওয়া নিয়ে চিকিৎকেরাও নিঃসংশয় ছিলেন না তাই কোভিড বিধি মেনে সকার হয়। বাড়ির বাকি সবার কোভিড পরীক্ষা হয়। কাররই পজিটিভ মেলেনি। রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুদিন সিপি আই (এম এল লিবারেশনে)-র সদস্য ছিলেন। আশির দশকে গড়ে উঠা গণ সংগঠন আই পি এফ-এর সক্রিয় কর্মী ছিলেন। আই পি এফ সূত্রেই প্রয়াত অশক কর্মকারের অভিন্ন হৃদয় বন্ধু ছিলেন। বহু কাগজ সম্পাদনা করেছিলেন। দুই দশক আগে অশক কর্মকারের সঙ্গেদৃষ্টি বলে একটি কাগজ সম্পাদনা করেন। পরে অশক কর্মকারউজান প্রকাশ করতে শুরু করলে তিনিও বছর কয় পরেদৃষ্টি বন্ধ হলেউজান' সাহিত্য গষ্ঠীতে চলে আসেন। আমৃত্যু গষ্ঠীর সঙ্গে ছিলেন। পেশাতে তিনি বিমা কোম্পানির এজেন্ট ছিলেন। খুব ভাল ছবিও আঁকতেন, তাঁর একমাত্র পুত্র সিদ্ধার্থ বসুও ভাল আঁকিয়ে।আই পি এফ' যুব প্রগতিছাড়াও একাধিক সংগঠনের সূত্রে এককালে নাটক মঞ্চেও দাপিয়ে বেড়াতেন। কঙ্গো জ্বলছে', 'চিলির কান্না, ভিয়েতনাম ইত্যাদি বহু প্রতিবাদী নাটকে অভিনয় করেছেন। তৃতীয় ধারার নাটকের প্রচলনেও এক সময়ে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ১৯৫৬-র ২৯ জানুয়ারিতে জম্ম প্রয়াত বসুর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল পঁয়ষট্টি বছর তিন মাস। স্ত্রী গায়ত্রী বসু ছাড়াও একমাত্র সন্তান সিদ্ধার্থ বসুকে তিনি রেখে গেছেন। এই অকাল মৃত্যু তিনসুকিয়ার সাহিত্য সংস্কৃতি জীবনে বিষাদ নামিয়ে এনেছে।উজান সাহিত্য গষ্ঠীর তরফে সম্পাদক ভানু ভূষণ দাস গষ্ঠীর সমস্ত সদস্যদের হয়ে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শক ব্যক্ত করেছেন। প্রয়াত বসু তাঁর নিজেরও পাঁচ দশকের বেশি সময়ের ব্যক্তিগত বন্ধু ছিলেন। সেদিক থেকে এটি ব্যক্তিগত বিয়গও বটে। এই দুঃসময়ে গষ্ঠী তাঁর পরিজনের বিয়গ ব্যথারও শরিক

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.