" মামা ও মামা ফোন নাম্বার টা দিও না"
অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি : "মামা, ও-মামা ফোন নম্বরটা দিও না।" মামা গৌতমকে নির্দেশ দিলেন ফোন নম্বরটা দিতে। ভাগ্নে বলল, ফোন করলে জবাব পাবো তো। মামা বললেন, উল্টে আমি ফোন করবো। আজ মাজুলিতে ৮ ভাগ্নের সঙ্গে এক বেলা মাছে ভাতে খেতে খেতে মামা হীরক পবিত্রদের বলে, ভালো করে পড়াশুনা করো তো। অংকে কত নম্বর পাও। এবার বেশি করে পড়তে হবে। কোনোদিন গুয়াহাটি গিয়েছো। সব ভাগ্নে একসঙ্গে জবাব- যায়নি। একভাগ্নে মুখের ভাত রেখে বলল, মামা আমরা তোমাকে ভালোবাসি, বলল মাজুলির স্বাস্থ্য ক্ষেত্র ডাউন। মামা বলল, মোবাইল গাড়ি আসে কিনা। মামা খেতে খেতে নানা গল্প বলল, আগে মাছ মাংস খেতাম না। কোভিডের সময় শাক-সব্জি পাওয়া যায় না বলে এখন মাছ খাই। মাংস খাই না। বলেন, যখন তখন হাঁটেন রাত ১২ টা-১টাতেওঁ হাঁটেন। বলেন, আজ তোমাদের সময় দিতে পারবো না আবার এসে গল্প করবো। মামা। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা নির্বাচনের আগে কথা দিয়েছিল। মাজুলির ভাগ্নেদের সঙ্গে একসাথে খাবেন। আজ মাজুলির ভাগ্নেরা ভোর ৪টা থেকে অপেক্ষা করছিল, হেলিকপ্টার নামলে সব ছুটে যায়। বিশাল এক আর মাছ ধরা হয়। পুদিনার চাটনি, মাছের ঝোল, মাংস, পায়েস দিয়ে ভাগ্নেদের আপ্যায়ন করে মামা হিমন্তবিশ্ব শর্মা। তিনি আজ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়ালের কেন্দ্র এশিয়ার বৃহত্তম নদী দ্বীপ মাজুলি সফর করে কমলাবাড়ি সত্ৰ দক্ষিণপাঠ সত্ৰ সফর করেন মাজুলির তিনশো বছরের মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মামা-ভাগ্নের মধুর সম্পর্ক অসমের অবক্ষয়ি সমাজ ব্যবস্থাতে নতুন মাত্রা পেল।










কোন মন্তব্য নেই