Header Ads

করোনা সংক্রমনের মধ্যেও ডিটেনশন ক্যাম্পে 300 র বেশি মানুষ বন্দি, ছাড়া হচ্ছে না

নয়া ঠাহর,গুয়াহাটি: স্বাধীন ভারতের  নাগরিকদের বাংলাদেশি অজুহাতে  অসমের ডিটেনশন  ক্যাম্প এ বিনা বিচারে আটক করে রেখেছে ।অসুস্থ পরিবেশ এ প্রায় বিনা চিকিৎসায় বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন   হত  দরিদ্র   মানুষগুলো। সীমান্ত পুলিশ কে খুশি করতে পারেনি বলে আজ তাদের বাংলাদেশি তকমা  সেঁটে ডি ভোটার বানিয়ে ডিটেনশন ক্যাম্পে পুরে দেওয়া হয়েছে।     বিজনীর বামুনিঝরার আদি বাসিন্দা হরিচরণ দাস রা স্বাধীনতার বহু আগে থেকে অসমে বসবাস করছে। নিজস্ব মাটি আছে।ভোটার লিস্টে নাম আছে । এই মাটিতে জন্ম মেয়ে অমলা র ।    বাংলাদেশ কোথায় সে জানেনা।এখানেই তার  বিয়ে হয় গোপেশ দাসের সঙ্গে।মাস পাঁচেক আগে তিনি মারা যান। প্রান্তিক  শ্রমজীবী  গরিব মানুষ  গোপেশ  দাস ।তার ঘর থেকে অসুস্থ অমলা কে  পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়ে  কোকড়াঝাড়ে র  জেলা কারাগারে পুরে দেয়। পুলিশ কে খুশি করার আর্থিক সামর্থ্য গোপেশ দাসের ছিল না। তরুণ গগৈ সরকারের  পুলিশ  খুশি মত   যাকে তাকে বাংলাদেশি বানিয়েছে।   এপর্যন্ত  27 জন  ডিটেনশন ক্যাম্পে মারা গেলেন ।তাদের একজনও বাংলা দেশি ছিল না।তা যদি হত একজনের মৃতদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হয় নি কেন ? ঢেকিয়াজুলির দুলাল পাল এর মৃত দেহ যখন মর্গে 10 দিন ধরে পচল ,তখন ছেলেরা দাবি করেছিল বাবা যদি বাংলাদেশি হন সেখানে মরদেহ পাঠানো হোক।  বিজেপি সরকারের সেই সাহস হয় নি।  বর্তমানে 300র বেশি গরিব মানুষ কে আটকে রেখেছে বিজেপি সরকার।  সিটিজেন ফর  জাস্টিস এন্ড পিস  র রাজ্যিক মুখপাত্র জামসের আলী  বলেন  বিজেপি সরকার ইচ্ছা করলে  সবকে ছেড়ে দিতে পারে।সুপ্রিম কোর্টের ও হাই কোর্টের নির্দেশ যাদের মেয়াদ 2বছর অতিক্রম করেছে তাদেরই   কেবল ছেড়ে দিতে হবে।     এই করোনা উদ্ভুত পরিস্থিতিতে   অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আটকে রাখা হয়েছে তাদের একজন ও বাংলাদেশি  নয়, মৃত 27 জন তো বাংলাদেশি ছিল না।  50, 60,70 বছর আগে আসা মানুষগুলোকে   বাংলাদেশি সাজিয়ে  ডি ভোটারের তকমা দিয়ে   কংগ্রেস সরকারের মতবিজেপি সরকার    আর কত দিন  কল্যাণকামী  সরকারের   নামে গরিব সংখ্যালঘু মানুষ গুলোকে হেনস্থা করবে।  সিটিজেন ফর জাস্টিস এন্ড পিস, বি টি এ ডি  নাগরিক অধিকার সুরক্ষা মঞ্চ এবং সারা অসম  বাঙালী যুব ছাত্র ফেডারেশন যৌথ ভাবে অমলা দাস কে  ছাড়িয়ে আনার ব্যাবস্থা করেন বলে জানা গেছে।  সিটিজেন ফর জাস্টিস এর পক্ষ্যে  পারিজাত নন্দ ঘোষ বলেন  তারা সবাই মিলে চেষ্টা করে  শতাধিক কে ছাড়িয়ে এনেছে।62 বছরের  অসুস্থ অমলা কে  থানায় গিয়ে   সপ্তাহে হাজির দিতে হবে।কমলা দাস যদি বেড়া টপকে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়,?

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.