অসমে নিবাচনে ফল ঘোষণার আগে ঘোড়া কেনা বেচা আটকাতে হোটেল রাজনীতি শুরু
অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি : অসমে ১২৬ টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে। পূর্বাভাস বিজেপি জোট ৫৫,৬০ বেশি আসন পাবে না। ম্যাজিক ফিগার পেতে ১২ ,১৪ জন বিধায়ক কম পড়তে পারে। সেই বিধায়কদের কিনে নিয়ে বিজেপি যাতে সরকার গড়তে না পারে তা আটকানোর জন্যে এআই ইউ ডি এফ তাদের ১৮ জন প্রার্থীকে আজ দিল্লি, আজমর শরীফ হয়ে রাজস্থানের জয়পুরের ফেয়ার মাউন্ট হোটেলে পাঠিয়েছে। এদিকে, মহাজোটের শরিক হাগ্রামা মহিলারি ও তাদের ১২ জন প্রার্থীকে কোকরাঝাড়ের এক হোটেলে জরুরি ডেকে পাঠানো হয়েছে। শিলিগুড়ি হোটেল বা কলকাতায় কোনো হোটেলে রাখা হবে। কংগ্রেস দল ও সেই পথে যাবে। কংগ্রেস দলের বিধায়কদের জয় পুরের ওই হোটেলে আটকে রেখেছিলেন সচিন পাইলট বলে কংগ্রেস সূত্র জানান। ইউ ডি এফ প্রধান তথা সাংসদ বদরুদ্দিন আজমল আজ দিল্লি যাবার পথে সাংবাদিকদের বলেন, এবার মহাজোট সরকার হবেই। রাজনীতিবিদদের কোনো নীতি নেই। নির্বাচন হলেই ঘোড়া কেনা বেচা শুরু হয়। এই দেশে তা শুরু হয়েছে। তাই তাদেরকেও প্রার্থীদের সাবধানে রাখতে হবে। তিনি দাবি করেন, তাদের ১৮ জন জিতবে। কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতা করে সরকার হবেই। তাই ঘোড়া কেনা বেচা বন্ধ করতে কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করতেই হবে। ইউ ডি এফ সূত্রের খবর সব প্রার্থীকে ২ মে ফলাফল ঘোষণার আগে পর্যন্ত সাবধানে রাখা হবে। বিজেপির প্রলোভনের টোপ না গিলে ফেলে। আজ ইন্ডিগো বিমানে ১৯ জন গিয়েছেন। তাদের দুবাইয়ে পাঠানো হতে পারে। ইউডি এফের পক্ষ্যে অবশ্য জয়পুরে প্রার্থীদের পাঠানোর অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। অসমে এই হোটেল রাজনীতি প্রথম মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা শুরু করেন বলে কংগ্রেসের অভিযোগ। হাগ্রামার হাত থেকে রক্ষা করার জন্যে প্রমোদ বড়োর ইউ পি পি এলের প্রার্থীদের গুয়াহাটি লিলি হোটেলে এবং শিলঙের সার্কিট হাউসে আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি রিপুন বরা ও ঘোড়া কেনা বেচার অভিভোগ অস্বীকার করেন নি।তার ভয় ই ভি এম টেম্পারিঙের। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সব ধর্ম স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আজ ত্রিপুরার বিখ্যাত ত্রিপুরেশ্বরি মন্দির সফর করেন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব করোনা সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন। তার সংগে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে। তিনি আগে বিজেপি ১০০ প্লাস পাবে বলে জোর গলায় দাবি করে ছিলেন। কিন্তু নিম্ন অসমের নির্বাচনের পর দাবি করছেন বিজেপি ম্যাজিক ফিগার ৬৪ পেয়ে যাবে। বিজেপি সভাপতি রঞ্জিত দাস মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল ও আর ১০০ প্লাস বলছেন না।








কোন মন্তব্য নেই