রাহুল গান্ধী কখনও মিথ্যা কথা বলে না : রাহুল গান্ধী
নয়া ঠাহর প্রতিবেদন, কলকাতা : বিজেপি দেশটাকে জাত-পাতে টুকরো টুকরো করে ভাগ করে দিয়েছে। এই দেশে জিএসটি ও নোট বন্দি করে দেশকে অর্থনৈতিক দিক
থেকে পিছিয়ে দিয়েছে। দেশের গরিবরা অভুক্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছ। অথচ ধনী
মানুষগুলোকে বিজেপি সরকার নানাভাবে সহায়তা করছে। আজ পশ্চিমবঙ্গে প্রথম নির্বাচনী সভায় ভাষণ দিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দেশের প্রকৃত করুন চিত্র প্রকাশ
পায় না। তিনি সত্যি কথা বলতে ভয় পাই
না। কোনো দিন মিথ্যা কথা বলেন
না বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কংগ্রেস কোনোদিন বিজেপির কাছে আত্মসমর্পণ করবে
না। তৃণমূল সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, গণতান্ত্রিক কাঠামো
ভেঙে পড়েছে।
বিরুদ্ধ
কন্ঠকে চাপা দিতে চাইছে। বিরোধীদের নির্বাচনী প্রচার অভিযানে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, মমতা সরকারের রাজ্যে বেকার সমস্যার সমাধান হয়নি। শিল্প কাঠামো গড়ে ওঠেনি। আজ মুর্শিদাবাদ জেলাতে রাণীনগরে এক কংগ্রেস
প্রার্থীকে আক্রমণ করা হয়। বরানগরে বিজেপি প্রার্থী পর্ণা মিত্রের রোড শোকে বানচাল করতে তৃণমূল হামলা চালায়। অপরদিকে, মমতা অভিযোগ করেন, বহিরাগত বিজেপি
নেতারা রাজ্যে
করোনা ছড়াচ্ছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য নাথের দার্জিলিং প্রচার
অভিযানে আসার কথা ছিল। তার করোনা হয়েছে বলে জানা
গেছে। আগামী ১৭ এপ্রিল পঞ্চম দফার ভোট। মমতা আজ কুচবিহারের শিতলকুচির নিহত পরিবারের মানুষদের সঙ্গে দেখা করে
সমবেদনা জানান। নিহত কিশোর আনন্দ বর্মনের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন। এদিকে, বিভিন্ন ভিডিও
ভাইরাল হয়েছে অভিযোগ এসেছে এই ১২৬ নম্বর বুথে তৃণমূল
রাজত্বে হিন্দু। ভোটাররা ভোট দিতে পারেননি। এই প্রথম। ভোট দিতে গেলে হামলা করা হয়। ভোটের আগের দিন হিন্দু
সম্প্রদায়ের গ্রামে এসে কিছু বাইক আরহী। যুবক হুমকি দিয়ে ছিল। ভোট দিতে না যাবার জন্য।
সংখ্যা গরিষ্ঠ ভোটারদের গ্রামে ২০০ মত হিন্দু ভোটার। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনীগুলি না চালাতো তবে প্রিসাইডিং অফিসারের মৃত্যু হত, ইভি এম ভেঙে চুরমার হয়ে যেত।
আরও বড় ধরনের ক্ষতি হত। ভয়ানক খবর
কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালায়নি। বাইরের যুবকরা গুলি
চালায়। নিহত চারজন বাইরে রাজ্যে কাজ করে ফিরেছিল। সবাই ধর্মীয়
সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর। রাজনৌতিক
মুনাফা লাভের লক্ষ্যে এই গুলি চালানো হয়
বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।









কোন মন্তব্য নেই