বিধানসভাতে বাঙালি মুখ একজনই কমলাক্ষ্য দে পুরকায়স্থ, বাকিরা জিরো
অমল
গুপ্ত, গুয়াহাটিঃ বরাক
উপত্যকা থেকে ১৫ জন
বিধায়ক বিধানসভাতে এসে
কেবল সংখ্যা বৃদ্ধি করে। এবার পাঁচ বছর বিজেপি বিধায়কদের দেখা গেল লাস্ট
বেঞ্চিতে বসে মুখ লুকিয়ে থাকতে। এ আই ইউ ডি এফ বিধায়কদের
একই অবস্থা। বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে বরাকে হাজার অভিযোগ। সব অভিযোগ ডাক্তার
রাজদীপ রায় উড়িয়ে দিলেও বিধানসভার রেকর্ড বলবে, বিজেপির ভূমিকা কি ছিল। উত্তর করিমগঞ্জের কংগ্রেস বিধায়ক কমলাক্ষ্য দে
পুরকায়স্থ বাংলা ভাষা রক্ষা, বরাকের
বিদ্যুৎ সমস্যা ব্যাপক দুর্নীতি, ঐতিহাসিক
স্মৃতি রক্ষা, রাস্তা ঘাটের সমস্যা, বন্যা
সমস্যা প্রভৃতি বিশেষ করে প্রায় ৪০ লাখ
বরাকবাসীর স্বাভিমান শিলচরের ভাষা শহিদদের মর্যাদা
দানের লক্ষ্যে কমলাক্ষ্য বাংলা ভাষাতে বিজেপি সরকারকে যে ভাবে কাঠ
গড়ায় তুলেছে। তার রেকর্ড দেখতে পারেন রাজদীপ রায়রা। বিধানসভাতে সব রেকর্ড আছে।
করিমগঞ্জ জেলার বিদ্যুত সমস্যা নিয়ে বিধানসভার গেটে ধরনা পর্যন্ত
দেন। আজ বিজেপি
কমলাক্ষ্যকে হারাবার জন্যে সব
ধরনের কূট কৌশলকে কাজে লাগাচ্ছে। তার নানাভাবে বদ নাম
করা হচ্ছে। করিমগঞ্জের
ভোটার গুয়াহাটি যে ব্যবসা করেন দুই ভাই, এক ভাই হোসেন এই প্রতিবেদককে বলেন, উত্তর করিমগঞ্জ নির্বাচন কেন্দ্রের
সংখ্যালঘু অর্থাৎ মুসলিম ভোটাররা আগাম সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমলাক্ষ্যকে
ভোট দেবে। তিনি হিন্দু মুসলিম দেখেন না, সব মানুষের বিপদে আপদে এগিয়ে
আসেন। করোনার সময় মানুষ ঘর থেকে বেরোতে পারতেন না। তিনি ঘরে ঘরে গিয়ে খবর নিয়েছেন।
তার অভিযোগ বিজেপি একজন সৎ ভাবমূর্তির মানুষ মিশনরঞ্জন দাসের মত মানুষকে
বাদ দিয়ে অপরিচিত এক জনকে ভোটে ক্যান্ডিডেট করে
কংগ্রেস দলের সুবিধা করে দিল। বরাকের
বৃহত্তর স্বার্থে, উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণে
কমলাক্ষ্য দে পুরকায়স্থের জিতে আসা খুবই প্রয়োজন
সে কথা রাজদীপ রায়দের জানা উচিত। পিছন
বেঞ্চিতে বসা বিজেপি বিধায়কদের। বিধানসভার রেকর্ড
দেখতে পারেন রাজদীপ রায়। বরাক উপত্যকাকে ভালো পাওয়া এক জন আমি,
বিধানসভা কভার করার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন।









কোন মন্তব্য নেই