Header Ads

দিদির পার্টি নির্মমতার পাঠশালা, সিলেবাস তোলাবাজ, সিন্ডিকেটে রাজ প্রশিক্ষণ : প্রধানমন্ত্রী

অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি : অসমে  ৮০০র বেশি চা বাগান।  প্রায়  ৫০ লাখ চা  জনগোষ্ঠীর মানুষের  ভোট  আদায়ের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলো ঝাঁপিয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী   আজ মুখ্যমন্ত্রী   সর্বানন্দ সনোয়ালের  আদি  বাসস্থান তিনসুকিয়া জেলার চাবুয়াতে  চা জনগোষ্ঠীর মন ছোঁয়ার সব চেষ্টা করলেন। প্রসঙ্গত, আলফার (স্বাধীন)-এর কমান্ডার ইন চিফ পরেশ বড়ুয়ারও জন্মস্থান এই চাবুয়াতে। রাজ্যে কা বিরোধী তীব্র আন্দোলনের সময়  জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলো চাবুয়ার সরকারি  সব অফিস, বিধায়ক আবাস  জ্বালিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছিল। আজ প্রধানমন্ত্রীর জনসভার পূর্বে আসুর এক বিরাট বাইক রেলি   মুখ্যমন্ত্রীর রেলির মুখোমুখি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী কা নিয়ে একটি শব্দ উচ্চারণ করেননি। তিনি কংগ্রেস দলের তীব্র আক্রমণ করে বলেন, অসমের  চা-এর  সুগন্ধি বিশ্বের দরবারে  পৌছিয়ে গেছে। অথচ কংগ্রেস এই  চা নিয়ে  নোংরা রাজনীতি করছে। অসমের চা-কে বদনাম করার খেলায় মেতেছে। এই সভার আগে প্রধানমন্ত্রী  পশ্চিমবঙ্গের খড়গপুরে এক নির্বাচনী সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা  বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিদ্ধ করে বলেন, দিদির পার্টি নির্মমতার পাঠশালা। সেই পাঠশালার সিলেবাস তোলাবাজ, সিন্ডিকেটের প্রশিক্ষণ দেওয়া আর অরাজকতা সৃষ্টি করা। অর্থনীতি শেষ করে দিয়েছেন। সিঙ্গল উইন্ডোর সরকার  ভাইপোর অনুমোদন ছাড়া  তা চলে না।   প্রধানমন্ত্রী  বলেন, তৃণমূলের খেলা হবে নাশিল্প উন্নয়নের খেলা হবে আস্থা আর বিশ্বাস-এর খেলা হবে। তিনি বলেন, ৫০ ফেস  বুক, হোয়াটস আপ  ডাউন হলে দেশ জুড়ে হুলস্থুল সৃষ্টি হয়। পশ্চিমবঙ্গে ৫০/৬০ বছর  ধরে  শিল্প বিকাশ  ডাউন, রাজ্যের কি দুরবস্থা, তা সহজেই অনুমেয়।  প্রধানমন্ত্রী  অসমে গত-পরশু বরাকে নির্বাচনী ভাষণ দিয়েছেন। আজও দিলেন, আবার কাল অগপ সভাপতি অতুল  বরার নির্বাচন কেন্দ্র  বোকাখাতে    ভাষণ দেবেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী   উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যের নির্বাচনে এভাবে প্রচার চালাবেন ভাবা যায় না। তিনি আজ চা নগরী যোরহাটে রাত কাটাবেন।  আজ প্রধানমন্ত্রীর  সফরের আগে বিজেপি সাংসদ তপন গগৈ এই করোনা ধরা পড়েছে।  স্বাস্থ্য বিভাগ নতুন করে  কোভিড প্রটোকল মেনে চলার কঠোর নির্দেশ দিয়েছে। নির্বাচন সভাগুলিতে এই বিধি  লঙ্ঘিত  হচ্ছে। কার ও মাস্ক নেই, দু-গজ দূরত্ব বিধি  কেউ মানছে না। দেশে এক দিনে  নতুন করে ৪০ হাজার আক্রান্ত হয়েছে। ১৫০ জনের বেশি মারা গেছেন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.