ফের লক ডাউন না চাইলে বিধি মানুন : কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক
নয়া
দিল্লিঃ দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।
তিন মাসে সংক্রমণ বেড়ে হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার। মৃত্যু
হয়েছে ১৬১ জনের যা ৪৫ দিনের
মধ্যে সর্বাধিক। মহারাষ্ট্র, কেরল, পঞ্জাব, কর্ণাটক এবং গুজরাত। মহারাষ্ট্রে রাতে লকডাউন
দেওয়া হয়েছে। মুম্বাইয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। লন্ডন ভিত্তিক
প্লস বায়োলজি নামে এক জার্নালে দাবি করা হয়েছে গত এক বছরে ১২ কোটির উপরে সংক্রমণ হয়েছে। ২৬ লাখের
বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নভেল করোনা সংক্রমণের এই অতিসংক্রামক ক্ষমতার বিবর্তন
ঘটেছিল আগেই বাদুড়ের শরীর থেকে, পরে মানব শরীরে সংক্রমণ হয়েছে।
ব্রিটেনের পর ফ্রান্সে সংক্রমণ বেড়ে চলেছে, জটিল উদ্বেগজনক
পরিস্থিতি। ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ১৩ লাখ ৬০ হাজার।
মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০
জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ কোটি ৯ লাখ ৯০ হাজার। এক্টিভ
রোগী ২,১০,৫৪৪ জন।
দেশে ভ্যাকসিন দেওয়া চলছে। প্রায় তিন কোটি মানুষকে এই
টিকা দেওয়া হয়েছে। কোভিড যুদ্ধে
লড়াই করা ডাক্তার, নার্স, পুলিশ
স্বাস্থ্য কর্মী, ৬০ বছরের
উর্দ্ধের ব্যক্তি, বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বের ব্যক্তিদের প্রথমে এই ভ্যাকসিন
দেওয়ার কাজ চলছে। কভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ড এই দেশীয়
দুই ভ্যাকসিন দেওয়া চলছে। সরকারি হাসপাতালে বিনা পয়সায় তবে বেসরকারি হাসপাতালে ২৫০ টাকা করে দিতে হচ্ছে। অসমে এপর্যন্ত ৫ লাখের বেশি মানুষকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
ভারত সরকার সারা বিশ্বের ৭২টি দেশকে এই ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে। এমনকি শত্রু দেশ
পাকিস্তানকেও দিয়েছে। প্রকাশ করা হলে দিদির মুখোশ
খুলে যাবে।









কোন মন্তব্য নেই