সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে যোগ বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর
কলকাতা: ব্রিগেডের বিজেপির সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। পদ্ম-পতাকা, উত্তরীয় পরিয়ে এদিন তাঁকে স্বাগত জানালেন কৈলাস-দিলীপ। দলীয় পতাকা হাতে তুলে দিলেন বিজেপি নেতৃত্ব।
মিঠুন চক্রবর্তীর বিজেপিতে যোগ
দেওয়াকে এবারের ভোটের বড় চমক হিসেবে দেখছেন অনেকে। এর আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে
মিঠুন চক্রবর্তীর মুম্বাইয়ের বাড়িতে দেখা করেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তারপর
থেকেই মিঠুনকে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল।
৭০ বছর বয়সী মিঠুন চক্রবর্তীর প্রচুর অনুরাগী
আছেন পশ্চিমবঙ্গে। বিশেষত ২০০৬ সালের চলচ্চিত্র এমএএলএ ফাটাকেষ্টতে তাঁর কিংবদন্তি
ডায়লগ, "মারবো এখানে, লাশ পড়বে শ্মাশানে"
এখনো মানুষের মুখে মুখে ফেরে। এর আগে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলেন। দলটির বিধায়ক
হিসেবে দু'বছর দায়িত্ব পালন করার পর মিঠুন রাজ্য সভা থেকে
পদত্যাগ করেন।
সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে যোগ মিঠুনের। পরনে তাঁর
ধুতি-পাঞ্জাবি। বাঙালিবাবু সাজেই ব্রিগেডে পৌঁছলেন মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁকে স্বাগত
জানাতে এগিয়ে আসেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। স্টেজে উঠে হাত নাড়ান বর্ষীয়ান অভিনেতা।
তারকাকে দেখেই উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। গতকাল শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত
মিঠুনের সঙ্গে বৈঠক হয় কৈলাসের। এদিন বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা
করতে হয় মিঠুনকে। মিঠুনকে দেখতে থামল গাড়ি, বাস। গাড়ির সামনেই সেলফি তোলার হিড়িক। ১০
মিনিট পর ভিড় ঠেলে বেরোলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা।
তাহলে কি এরাজ্যের বিধানসভা ভোটেও মিঠুনকে প্রার্থী করতে পারে বিজেপি? এই প্রশ্ন আগেই উঠেছে আর তা উস্কে গতকাল রাতে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের সঙ্গে দেখা করেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। শুধু তাই নয়, বক্তব্য রাখব, কিছু তো হবেই বলে মন্তব্য করেন মিঠুন চক্রবর্তী। সত্যিই কিছু হল। সব জল্পনা শেষ করে বিজেপিতে যোগ দিলেন মিঠুন।
লক্ষ্য
নীলবাড়ির দখল। প্রথম দু-দফা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর রবিবার ব্রিগেড
সমাবেশ দিয়ে শুরু হচ্ছে বাংলায় বিজেপির মেগা প্রচার। প্রধান বক্তা প্রধানমন্ত্রী
নরেন্দ্র মোদি। আর এই সমাবেশেই ১০ লক্ষ মানুষের জমায়েত করার টার্গেট নিয়েছে গেরুয়া
শিবির।










কোন মন্তব্য নেই