এন আর সি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে আর জি আই এর বিজ্ঞপ্তি
অমল গুপ্ত, গুয়াহাটিঃ গত আগস্ট মাসে ১৯ লাখ মানুষকে বাদ দিয়ে এন আর
সি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। আজ এতদিন বাদ স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের অধীন রেজিস্টার জেনেরাল
অফ ইন্ডিয়া বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ করে জানিয়ে দেয় আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে এন আর
সি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে হবে। সরকারি ভবনে কার্যালয় স্থানান্তর করতে হবে। আগে বরাদ্দ ১৬০০ কোটি টাকার বেশি কেন্দ্র এক
পয়সা দেবে না। কেবল সরকারি কর্মচারীদের দিয়ে এই কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। ডাটা এন্ট্রি সহ অতিরিক্ত
কর্মচারীদের অব্যাহতি দিতে হবে। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে এক পত্র দিয়ে এই একথা
জানিয়েছেন বলে সংবাদ সূত্রে জানা গেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আবার আসছেন। তার
অধীনে আর জি আই এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ অর্থ এন আর সি ছুট ১৯ লাখ মানুষের নাম স্বীকৃতি পেলো। এবার
পরবর্তী পর্যায়ের কাজ শুরু হবে। ৩১ মার্চের মধ্যে প্রথম দফার নির্বাচন শেষ হবে। এই হতভাগ্য ১৯ লাখ মানুষ ভোট দিতে পারবে
তো? আগে বলা হয়েছিল আর জি আই
বিজ্ঞপ্তি জারি না করা পর্যন্ত এই নাম ছুট ব্যক্তিরা ভোট দিতে পারবে। এবার কি হবে। নাম ছুটদের মধ্যে ডি ভোটারাও আছে। তাদের কি হবে? ১৯৯৭ সাল থেকে রাজ্যের ডি
ভোটাররা সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার ভোট দানের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আছে। এক
লাখের বেশি ডি ভোটার আছে। রাজ্যের হিন্দু মুসলিম সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মানুষ ডি ভোটারের ফাঁদে জড়িয়ে
গেছেন। তাদের মুক্তি নেই। বিজেপি তাদের নির্বাচনী ইসতাহারে ডি ভোটার, ডিটেনশন ক্যাম্পের কথা উল্লেখ
করেনি। প্রায় ৫০০ মানুষ ডিটেনশন ক্যাম্প বন্দি। এন আর সি ছুটদের মধ্যে যারা
ট্রাইব্যুনালে বিদেশি বলে শনাক্ত
করা হবে তারা কোথায় যাবে? তাদের জন্যে কি গোয়ালপাড়া জেলার মটিয়াতে ৬৫ কোটি টাকা খরচ করে ডিটেনশন ক্যাম্প নির্মাণ চলছে? বাংলাদেশ সরকার তো বলে
দিয়েছে তাদের দেশ থেকে এক জন বাংলাদেশি ও ভারতে যায়নি। অসম সরকার অবশ্য
বলে দিয়েছে এন আর সি তালিকা তারা মানবে না। লাখো বাংলাদেশীর নাম এন আর
সি তালিকাতে অর্ন্তভুক্ত হয়েছে। নতুন করে ১০০ শতাংশ সার্ভে করে নতুন করে তালিকা বানাতে হবে। অসমে এসে অমিত শাহ
কি বলবেন। তার দিকে তাকিয়ে সবাই।









কোন মন্তব্য নেই