Header Ads

শান্তি, প্রগতির আত্মনিভর্শীল অসম গড়ার সংকল্প বিজেপির ইস্তাহারে

অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি : শান্তি-সম্প্রীতি, প্রগতির আত্মনির্ভরশীল  অসম গড়ার  সংকল্প  বিজেপির। আজ  দলের  ইস্তাহার  প্রকাশ করে বিজেপির রাষ্ট্রীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা এই  সংকল্প বদ্ধ অঙ্গীকারের কথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল, অর্থমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মাকেন্দ্রীয় নেতা শাহ নেওয়াজ  প্রমুখদের উপস্থিতিতে জে পি নাড্ডা  আত্মনির্ভরশীল অসমের ১০ সংকল্পর কথা ঘোষণা করেন।   অসমবাসীর রাজনৈতিক  অধিকার সুরক্ষা করতে বিধানসভা কেন্দ্রের সীমানা পুনর্ধারারণ করা হবে। শুদ্ধভাবে এন আর সি তৈরি করে বিদেশি  শনাক্ত করে বহিস্কার করা হবে। নাড্ডা বলেছেন, নাগরিকত্ব  সংশোধনী আইন টি বা কা কেন্দ্রীয় আইন তা অসমে বিজেপি সরকার আসার পর লাগু করা হবে। আজ  সংকল্প পত্রে তা উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়াও অসমকে বন্যা মুক্ত রাজ্য গঠনের অঙ্গীকার করা হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদকে  বৈজ্ঞানিকভাবে প্রযুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে বন্যা ও ধসের হাত থেকে রক্ষা করা হবে অসমকে। অরুনোদয় কর্মসূচির অধীনে ৩০ লাখ  পরিবারকে অন্তভুক্ত করে  মাসে তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। বর্তমানে ৮৩০ টাকা করে দেওয়া হয়। রাজ্যের অর্ধকাশস্বরূপ মহিলারা উপকৃত হবে। নামঘর ও উপাসনা কেন্দ্রগুলির উন্নয়নের জন্য আড়াই লাখ টাকা দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ৮ হাজার নামঘরকে এই  টাকা দেওয়া হয়েছে।  সরকার পরিচালিত বিদ্যালয়ের শিশু  দের উন্নয়নে বিশেষ ব্যবস্থা, অষ্টম শ্রেণীর পর বিদ্যালয়ের  ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে সাইকেল দেওয়া হবে। নিত্য প্রয়োজনীয়   সামগ্রী উৎপাদন করে  মাছ, মুরগি, শাক-সব্জির ক্ষেত্রে যাতে অসম স্বনির্ভরশীল হয়ে উঠে তার ব্যবস্থা করা হবে। বছরে  সরকারিভাবে ২ লাখ ও বেসরকারি ক্ষেত্রে ৮ লাখ  কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করা হবে। ২০২২ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে এক লাখ যুবককে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। ১০ লাখ যুবককে শিল্পউদ্যোগ গড়ে তুলতে সরকার সাহায্য করবে। ভূমিহীন মানুষকে জমির পাট্টা দেওয়া হবে। বিদেশি  ট্রাইব্যুনাল গুলিতে বিচারাধীন মামলাগুলো দ্রুত নিস্পত্তি করার ব্যবস্থা হবে। পুলিশের সীমান্ত শাখা কে   শক্তিশালী করা হবে। রাজ্যের  ধর্মীয় সংখ্যা লঘু জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের  কথা বলা হয়েছে। ভাষিক সংখ্যা লঘু অর্থাৎ বাঙালি হিন্দুদের কথা বলা হয়নি। ডিটেনশন ক্যাম্প, ডি ভোটারদের কথা, এন আর সি থেকে বাদ পড়া ১৯ লাখ  হতভাগ্য মানুষের কথা উল্লেখ করা হয়নি।  ভালো কথা বন জঙ্গল পরিবেশ গন্ডার  রক্ষার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।  কৃষি, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প  গ্রহণ করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.