সিন্ডিকেট না করার অপরাধে টিকিট কাটা গেল : দিলীপ পাল,ষড়যন্ত্রের শিকার হলাম: শিলাদিত্য দেব
অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি : বিজেপির দুজন এবং এআই ইউ ডি এফের একজন বিধায়ককে টিকিট থেকে বঞ্চিত করে বিধানসভার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা হল। বিগত ৫ বছরে এই তিন বিধায়ক সংসদীয় গণতন্ত্রকে উচ্চ মার্গে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বিজেপির শিলচরের বিধায়ক দিলীপ পাল, হোজাইয়ের শিলাদিত্য দেব এবং নবৈসার মামুন ইমদাদুল হক চৌধুরী অত্যন্ত দক্ষ শিক্ষিত, ব্যাতিক্রমী বিধায়ক। দুর্নীতি স্পর্শ করতে পারেনি। শিল্যাদিত্য দেব এক দুর্নীতিপরায়ণ নেতার সমালোচনা করে ছিলেন, হিন্দু শরণার্থীদের পক্ষে সরব হয়েছিলেন। মুসলিম সমাজের বিরুদ্ধে লাগাতারভাবে আপত্তিকর মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার গোপন এজেন্ডা সফল করতে গিয়ে টিকিট থেকে বঞ্চিত হলেন বলে রাজনৈতিক মহলের খবর। শিলাদিত্য বিজেপির প্রাণ পুরুষ কবিন্দ পুরস্কাযস্থের ঘনিষ্ট, বিধানসভার ভূমিকা খুবই উজ্জ্বল, হোজাইয়ে দুর্নীতির কোনও অভিযোগ নেই। দলের শিষ্যনেতার দুর্নীতির বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুলে বিপদে পড়ে গেলেন। রামকৃষ্ণ ঘোষের মত লো-প্রোফাইল নেতাকে বিজেপি টিকিট দিয়ে বিজেপি পরাজয়ের পথকে সুগম করে দিল। বরাক উপত্যকার
দুর্নীতি সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে শাসক
দলের নেতারা প্রত্যক্ষভাবে
দুর্নীতিতে জড়িত তা আজ শিলচরের বিজেপি বিধায়ক
দিলীপ পাল সব প্রকাশ করে দিলেন। বিধানসভার প্রাক্তন
উপাধ্যক্ষ দিলীপ বাবু দুর্নীতিকে
কোনোদিন মেনে নেননি। কাছাড়
জেলার বিজেপি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি
অভিযোগ করেন এই কাজে সাংসদ ডাক্তার রাজদীপ রায় যে ধুয়া
তুলসী পাতা নয় তাও আজ বুঝিয়ে দিয়েছেন। আজ বলেছেন,
তিনি শ্যামাপ্রসাদ, অটল বিহারীর
আর্দশ মেনে চলেন। কয়লা, গ্যাসের সিন্ডিকেট করতে পারবো না। ডিটেনশন ক্যাম্প
গিয়ে জামিনদার হয়ে বাঙালি হিন্দুকে ছাড়িয়ে এনেছি,
সেই অপরাধে আমাকে টিকিট থেকে বঞ্চিত করা হল।
তিনি মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়ালের প্রসংশা করে
বলেন, তার মত ভদ্রলোক মন্ত্রী সভাতে নেই। হিমন্তবিশ্ব
শর্মা বরাকের পরিস্থিতি অনুকূল নয় বুঝতে পেরে হঠাৎ বরাক সফর করে
দিলীপ পালকে বোঝাবার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্ত উল্টে খারাপ ফল হল। বরাকে
বিজেপির মধ্যে বিরূপ প্রভাব পড়লো। বিজেপি
থেকে রাতারাতি পদত্যাগ করে অলক ঘোষ মরিয়ানী থেকে অসম
জাতীয় পরিষদের টিকিটে লড়ার জন্যে মনোনয়ন পত্র পেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিলেন। তার
নথিতে ত্রুটি আছে বলে নাকচ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। নির্বাচন
কমিশনের ফ্লায়িং স্কোয়ার্ড রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে লক্ষ লক্ষ নগদ
টাকা, অবৈধ মদ বাজেয়াপ্ত
করেছে। রাজ্যের ৩৩ টি
জেলাতে নির্বাচনে দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মীদের
ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। ৩ লাখ ৪০০ ডোজ ভ্যাকসিন দরকার, এপর্যন্ত
প্রায় ৪০ হাজার ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।










কোন মন্তব্য নেই