লাল কেল্লাতে কৃষক সংগঠন তাদের পতাকা তোলে
নয়া দিল্লি :
কৃষক আন্দোলন আজ
দিল্লিতে নতুন মোড় নিলো।
প্রজাতন্ত্র দিবসে লাল কেল্লার
মাথায় চড়ে কৃষক সংগঠনের
পতাকা উত্তোলন করে লাল কেল্লার ঐতিহাসিক পবিত্রতা নষ্ট করলো।
তিনটি কৃষক আইন বাতিল করতে হবে এই দাবিতে দুমাসের
বেশি সময় ধরে লাখো কৃষক ট্রাক্টর নিয়ে দেশের রাজধানী
নযা দিল্লিকে প্রায় ঘেরাও করে রেখেছে।আজ প্রজাতন্ত্র দিবসে ট্রাক্টর
নিয়ে প্রজাতন্ত্র দিবস
ভন্ডুলের চেষ্টা করে। পুলিশি ঘেরাটোপের
বাইরে এসে ব্যারিকেড ভেঙে আজ সকাল ১০টা
নাগাদ দিল্লির কেন্দ্রস্থলে ট্রাক্টর মিছিল নিয়ে
আসার চেষ্টা করা হলে পুলিশের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পুলিশকে লাঠি চার্জ করতে হয়,
কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়তে হয়। কৃষকরা প্রজাতন্ত্র দিবস শেষ হওয়ার সঙ্গে
সঙ্গে লালকেল্লা অভিমুখে দৌড়তে শুরু করে। লাল কেল্লার মিনারে চড়ে দলীয় পতাকা তোলে। পুলিশ বাধা দানের চেষ্টা করে প্রচন্ড
সংঘর্ষ হয়। বহু
পুলিশ কম-বেশি
আহত হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সি পি
এম নেতা সীতা রাম ইয়েচুরি প্রমুখ পুলিশের
লাঠি চার্জের কড়া নিন্দা করেন। কৃষক সংগঠনগুলো সুপ্রিম কোর্টের
কমিটি গঠন মেনে নেয়নি। কেন্দ্রীয়
সরকারের দেড় বছর আইনটি
স্থগিত রাখার প্রস্তাবও মেনে
নেয়নি কৃষক সংগঠনগুলো, একটি দাবিতে গো ধরে বসে আছে
তিনটি আইন বাতিল করতে হবে। সংসদে আলোচনা না করে তিনটি আইন
গ্রহণ করা হয় বলে বিরোধীরের অভিযোগ। কানাডা, ব্রিটেন প্রভৃতি দেশের শিখ
সম্প্রদায়ের একাংশ প্রতিনিধি, খালিস্থান
আন্দোলনকারীরা এই কৃষক আন্দোলনকে নৈতিকভাবে সমর্থন করছে। আর্থিক সাহায্য করছে বলে অভিযোগ আসছে।
হরিয়ানা, পাঞ্জাব, উত্তর-প্রদেশের আর্থিকভাবে
সবল কৃষকরা আন্দোলনে সামিল হয়েছে। দেশের গরিব
কৃষকদের মত নয়। কৃষক আইন টি বিরোধিতা করার জন্যে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ডাকবে বুধবার বলে জানা গেছে।









কোন মন্তব্য নেই