Header Ads

করিমগঞ্জ জেলায় রাম জন্মভূমি নিধি সমর্পণ অভিযানের পূর্ণাঙ্গ সমিতি গঠন


সুব্রত দাস, বদরপুর : আজ করিমগঞ্জ জেলার রাম জন্মভূমি নিধি সমর্পণ অভিযানের পূর্ণাঙ্গ সমিতি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ক্ষেত্র সংগঠন মন্ত্রী দীনেশ তিবারী পৌরোহিত্য সম্পন্ন হয়। এতে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন দীনেশ তিবারী।তিনি বলেন রামময় সমাজ,কর সেবক,হিন্দু সংগঠন ও সমাজসেবী কারনে আজ ভব্য রামমন্দির নির্মাণ হতে চলেছে। তিনি বলেন এই মন্দির আন্দোলন প্রায় তিন লাখেরও বেশী সাধু-সন্ন্যাসী,কর সেবক ও বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের কর্মীরা প্রাণ নোচ্ছাবর করেন। দীর্ঘ ৪৯২ বছর পর মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের রায়ে ট্রাস্টের মাধ্যমে মন্দির নির্মাণের নির্দেশ দেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী ৫ আগষ্ট এই করোনাকালে সমস্ত বিধি-নিয়ম মেনে ১৫০ জন সাধু-সন্ন্যাসী ও সমাজসেবী নিয়ে ভূমি পূজন করেন। এই মন্দির হিন্দুদের দীর্ঘ দিনের প্রতিক্ষার ফল।সংঘের নির্দেশ অনুসারে এই মন্দির নির্মানে প্রতি হিন্দু পরিবার এতে সহভাগী বনেন তার জন্য রাম জন্মভূমি নিধি সমর্পণ অভিযান সমিতি গঠন করেন। তার জন্য প্রতি,গ্রামে,ওয়ার্ডে,মণ্ডলে সমিতি গঠন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। বৈঠকের পর এক সাংবাদিক সম্মেলনে রাম জন্মভূমি নিধি সমর্পণ অভিযানের জেলা সহ-সভানেত্রী শাশ্বতী চক্রবর্তী বলেন,রাম সেতু নির্মাণে ছোট্ট একটি কাঠবিড়ালিরও ভূমিকা ছিল তার সামর্থ্য অনুযায়ী। ইতিহাসের পাতায় নাম নথিভুক্ত রয়েছে। ইতিহাস রচনার মতো সেতু আর কখনো নির্মাণ হবেনা।আজ বিশ্বের সর্বপ্রথম সর্ববৃহৎ রাম মন্দির নির্মাণ হচ্ছে আমাদের আয়ুষ্কালে। এই মন্দির প্রায় দুই হাজার বছরের অধিক অক্ষত অবস্থায় বিরাজমান থাকবে অর্থাৎ আমাদের  ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অথবা তারো বেশী এই মন্দির দর্শন করার সুযোগ পাবে। তারা আমাদের আজকের দিনের ভূমিকায় গর্ব অনুভব করবে। আমাদের কাছেও রয়েছে সেই সুযোগ তাদেরকে গর্বিত করার।ইতিহাসের পাতায় নাহলেও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকার এক অভূতপূর্ণ উপায়।

ইতিহাস রচনার মতো রামসেতু যেমন দ্বিতীয়টি নির্মাণ হবেনা, তেমনি ইতিহাস রচনার মতো মন্দির ও দ্বিতীয়টি নির্মাণ হবেনা।১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ইং এর পর হয়তো আমাদের কাছে এই সুযোগ ও থাকবেনা। তিনি বলেন এই কাজ সর্বব্যাপী এবং সর্বস্পর্শী।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.