Header Ads

বদরপুর নগর ও প্রখণ্ড রাম মন্দির নির্মাণ নিধি সংগ্রহ সমিতি গঠন

 

সুব্রত দাস, বদরপুর: রাম মন্দিরের পুনরুদ্ধার সমগ্র হিন্দু সমাজের সম্মিলিত দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফল। তাই এই হিন্দু চেতনাকে ভর করে রাম মন্দিরের নির্মাণ কাজও সম্পন্ন করতে হবে সমগ্র হিন্দু সমাজের সংগৃহীত অর্থে, এমনই বার্তা নিয়ে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে গেরুয়া শিবিরের সকল সংগঠনকে সাথে নিয়ে একযোগে মাঠে নেমেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। গেরুয়া শিবিরের এমন সিদ্ধান্ত সর্বভারতীয় স্তর থেকে নেওয়া। এরই অঙ্গ হিসেবে করিমগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়েছে নিধি সংগ্রহ সমিতি গঠন। সংগঠনের যোজনা মতে বিবিধ সংগঠনের সদস্য ও স্থানীয় বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়ে খণ্ড ও নগর সমিতি গঠন করা হয়।বদরপুর রাধানগর আখড়ায় রবিবার সমিতি বৈঠকে সভাপতি নির্মল চন্দ ,সহ-সভাপতি অসীম মজুমদার,ঝুনু রায়,সম্পাদক অপূর্ব কাঞ্চন ধর, সহ-সভাপতি সুব্রত দাস, মনি মালী,প্রচার প্রমুখ মিঠুন সরকার,আদায়কারী প্রশান্ত দাস, অভিযান প্রমুখ সুশান্ত দত্ত,সহ-অভিযান প্রমুখ রাজীব দে আরও অন্যনদের মনোনীত করেন। অন্যদিকে সোমবার শ্রীগৌরী মাধবধামে বিকাল ৩ ঘটিকায় আয়োজিত এক সভায় বিশিষ্ট নাগরিকদের উপস্থিতিতে খণ্ড  সমিতি গঠন করা হয়। সভায় প্রাসঙ্গিক বক্তব্য প্রদান করেন বিভাগ ব্যবস্থা প্রমুখ সন্দীপ দাস, জেলা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সম্পাদক বিশ্বজিৎ নাগ চৌধুরী,জেলা বৌদ্ধিক প্রমুখ সৌমেন পাল সহ অন্যরা। বদরপুর গঠিত খণ্ড সমিতিতে দেবল দাসকে অভিযান প্রমুখ,বিশ্বহিন্দু পরিষদের খণ্ড সভাপতি সিদ্ধার্থ শংকর দত্তকে সহ-অভিযান প্রমুখ নিয়োগ করা হয়। এতে সভাপতি,সহ-সভাপতি দুইজনকে মনোনীত করা হয়।রাম মন্দিরের নিধি সংগ্রহের কাজ দ্রুত গতিতে করার জন্যে ১৪ জনের এক বিস্তারক টিম গঠন হয়েছে। এতে কেউ ৩/৫/৭/১৫ দিন সম্পূর্ণভাবে এই কাজে নিয়োজিত থাকবে। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রত্যেক ওয়ার্ড ও পঞ্চায়েত মধ্যে রাম মন্দির নিধি সংগ্রহ সমিতি গঠন করা হবে বলে জানা যায়। সর্বভারতীয় সিদ্ধান্ত মতে এই নিধি সংগ্রহ অভিযান মকর সংক্রান্তিকে কেন্দ্র করে শুরু হবে ও চলবে ৩১জানুয়ারি পর্যন্ত। পনেরো দিনের এই নিধি সংগ্রহ অভিযান চলাকালীন সময়ে অন্য সকল ধরণের অনুষ্ঠান সংঘের কেন্দ্রীয় নির্দেশে বাতিল করা হয়েছে বলে জানান তিনি। নিধি সংগ্রহের বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক হিন্দু পরিবার যেন এই ভব্য রামমন্দির নির্মাণে সক্রিয় সহভাগী হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে। এই নিধি সংগ্রহের জন্য তিন প্রকার কুপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নূন্যতম দশ টাকা, তারপর একশ টাকা ও এক হাজার টাকার কুপন থাকবে। এর বেশি যারা সমর্পণ করবেন তাদের জন্য রশিদের ব্যবস্থা থাকবে। তিনি এও বলেন যে, খণ্ড সমিতি গুলোতে বিভিন্ন গ্রাম থেকে কর্মকর্তা নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রত্যেক পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা যায়। দীর্ঘ্য সংগ্রামের ফলে এই রামমন্দির তৈরি হতে চলেছে, এরজন্য প্রত্যেক হিন্দু পরিবারের এতে সহযোগ থাকবে বলে মনে করেন তিনি। এদিনের সমন্বয় বৈঠকগুলি পরিচালনা করেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের করিমগঞ্জ জেলা জেলা সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিত নাগ চৌধুরী ও আরএসএস কার্য্যকর্তা । এদিনের বৈঠকগুলিতে গেরুয়া শিবিরের বিবিধ সংগঠনগুলির মধ্যে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বজরং দল,একল বিদ্যালয়, ক্রীড়া ভারতী, সীমান্ত চেতনা মঞ্চ, এবিভিপি, রাষ্ট্র সেবিকা সমিতি ও বিদ্যা ভারতীর পদাধিকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.