এসটি মোর্চার সদস্যদের অবৈধ বাংলাদেশীদের হাত থেকে পার্বত্য জেলাকে রক্ষার্থে সজাগ হওয়ার আহ্বান সিইএম গার্লোসার
নয়া ঠাহর প্রতিবেদন, গুয়াহাটিঃ "একুশে রাজ্যে বিজেপি দল সরকার গঠন করবে। মিশন
হানড্রেড প্লাস। ডিমা হাসাও জেলায় বিজেপির জয় নিশ্চিত। যা কোনো রাজনৈতিক শক্তি
বিজেপিকে রুখতে পারবে না। হাফলং আসনে বিজেপি দল রেকর্ড ভোটে জয় সাব্যস্ত করবে”।
“বিজেপি শাসিত উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদ ভিজন-২৪-এর
অধীনে দেশের প্রধান প্রধান শহরে পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের নতুন ঠিকানা হবে। এসটি মোর্চার
সদস্যদের অবৈধ বাংলাদেশীদের হাত থেকে পার্বত্য জেলাকে রক্ষার্থে সজাগ হওয়ার
আহ্বান জানাবো। অন্যথা প্রতিবেশী রাজ্য নাগাল্যাণ্ডের দশা হবে। তবে কংগ্রেস দল
ক্ষমতায় আসতে পারবে না”। “কারণ তাদের অস্তিত্ব সঙ্কটে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের মাথা ব্যথার
কারণ দেবোলাল গার্লোসা। তাঁদের কাছে কোনো ইস্যু নেই। আর তাই বলাবলি করছে যে
দেবোলাল গ্রেফতার হবে, তিনি এক্সট্রিমিস্ট, হত্যাকারী।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে আমি নির্বাচিত হয়ে সিইএম পদে বসেছি। বিটিসি
প্রধান হাগ্রামা মহিলারি, মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালডেঙ্গা। সবাই সেই সংগঠন থেকে আসছেন।
তাছাড়া, আদালতকে সম্মান করি। তাই অহেতুক আমার গ্রেফতার নিয়ে ভাবতে হবে না”
বলে জানিয়েছ্নে উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের সিইএম দেবোলাল গার্লোসার।
শুক্রবার মাইবাং দিশ্রু কালচারাল ক্লাব অডিটোরিয়াম হলে ডিমা হাসাও
জেলা বিজেপি এসটি মোর্চার কার্যনির্বাহক সভায় মুখ্য অতিথির বক্তব্যে রাখতে গিয়ে
এভাবে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কংগ্রেস
দলের জেলা সভাপতি নির্মল লাংথাসা সম্প্রতি আমার গৃহ সমষ্টি দেহাঙ্গীতে বিজেপি দলের
সমালোচনা করতে গিয়ে বলছিলেন যে বিজেপি জনজাতি বিরোধী। কিন্তু কংগ্রেস নেতা নির্মল
লাংথাসা হয়তো কংগ্রেস দলের পঞ্চান্ন বছরের অপশাসনের কথা ভুলে গেছেন।
বিজেপি দলের মাত্র কয়েক বছরের শাসনে জনগোষ্ঠীয় স্বাধীনতা
সংগ্রামীরা ক্রমে বীর সম্ভুধন ফংলো, রাণীমা
গাঁঈদালু এবং পু জাদুনাং সরকারী স্বীকৃতি পেয়েছেন। তিনি বলেন, কংগ্রেস শাসনে
গাঁওবুড়াদের মাসিক সাম্মানিক ছিল পঁচাত্তর টাকা। যা বিজেপি সরকারের আমলে এক হাজার
পাঁচশো টাকা হয়েছে।
জেলার জনগোষ্ঠীয় গ্রাম গুলির উন্নয়নের একের পর এক নতুন পদক্ষেপ
নেওয়া হচ্ছে। এসব কি জনগোষ্ঠী বিরোধী পদক্ষেপ?
গার্লোসা বলেন কংগ্রেস দল বিজেপি দলের সমালোচনা বাদ দিয়ে নিজের
চরকায় তেল দিক। আমাদের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই।
তাছাড়া, আমার গ্রেফতার হবে, কি
হবে না তার জন্য আদালত রয়েছে এবং আদালতের উপর আমার বিশ্বাস আছে। আদালতের রায়কে
স্বাগত জানাব।
ষষ্ঠ অনুসূচির এই জেলার উন্নয়নে বর্তমান কেন্দ্র তথা রাজ্য সরকার
অনেক গুরুত্ব দিয়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার আজ সাত দশক অতিক্রম করেছে। দেশে কংগ্রেস
সরকার পঞ্চান্ন বছর শাসন চালিয়েছে কিন্তু দিল্লীতে ডিমা হাসাও জেলার একটুকরো জমি
ছিল না। বর্তমান সরকারের আশীর্বাদে তা সম্ভব হয়েছে। দিল্লীতে গড়ে উঠেছ বিশাল
ডিমাসা ভবন। যা এমওএস চুক্তির অধীনে হচ্ছে। বিজেপি এসটি মোর্চার কার্যনির্বাহী সভায় সিইএম গার্লোসা ছাড়া
ডিমা হাসাও জেলা বিজেপি সভাপতি ডনপাইনন থাওসেন, পরিষদের
ইএম তথা এসটি মোর্চার রাজ্যিক সহকারী সমন্বয়ক স্যামুয়েল চাংসান,
ইএম গলঞ্জয় থাওসেন, নিপোলাল
হোজাই, জেলা বিজেপি এসটি মোর্চার সভাপতি সূরজ নাইডিং,
রাজ্যিক এসটি মোর্চার সম্পাদিকা তথা পার্বত্য জেলার তত্বাবধায়ক
তিলোত্তমা হাস্নু, কুলেন্দ্র দাওলাগুপু প্রমুখ।









কোন মন্তব্য নেই