রাজ্য কাপিয়ে তোলা JEE পরীক্ষা কেলেংকারির তদন্ত প্রক্রিয়া তীব্র গতিতে, বাবা-ছেলে-সহ ৫ জন গ্রেফতার
নয়া
ঠাহর প্রতিবেদন, গুয়াহাটিঃ রাজ্যে গ্রেপ্তার JEE-তে প্রথম
স্থানাধিকারী ছাত্র ও তাঁর চিকিৎসক বাবা। ওই পড়ুয়ার বিরুদ্ধে ‘ভুতুড়ে
পরীক্ষার্থী’
বসিয়ে
৯৯.৮ শতাংশ নম্বর পাওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল ২৩ অক্টোবর। তদন্তে নেমে গুয়াহাটির
আজারা থানা বাবা-ছেলে-সহ ৫ জনকে গ্রেফতার করে।
বুধবার
দুই অভিযুক্তকে তাঁদের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অসমে শীর্ষস্থান পাওয়া নীল
নক্ষত্র দাসের বিরুদ্ধে আজারা থানায় একটি এফআইআর দায়ের করেন মিত্রদেব শর্মা নামের
জনৈক ব্যক্তি। জানা গেছে, নীল নক্ষত্র দাস পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে হাজিরা দিয়ে
পরীক্ষকের সহায়তায় বেরিয়ে আসেন। তাঁর বদলে পরীক্ষা দেয় অন্য এক যুবক।
গত ৫ সেপ্টেম্বর
আজারার ই-কম টাওয়ারে পরীক্ষার আসন পড়েছিল। ৯৯.৮ নম্বর
পেয়ে জয়েন্টে উত্তীর্ণ হওয়া নীলের একটি অডিও ক্লিপ সম্প্রতি ভাইরাল হয়। সেখানে
শোনা যাচ্ছে নীল তার বন্ধুকে বলছে প্রক্সি পরীক্ষার বন্দোবস্ত করতে তার বাবা ২০
লক্ষ টাক খরচ করেছেন। প্রাথমিক
তদন্তে পরীক্ষা কারচুপির প্রমাণ পেয়ে পুলিশ বাবা ও ছেলের পাশাপাশি এই চক্রে জড়িত
হেমেন্দ্র নাথ শর্মা,
প্রাঞ্জল
কলিতা ও হীরুকমল পাঠক নামে তিনজনকে আজ গ্রেফতার করে। তাদের রাতে আজারা থানায়
মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা চলছে। গুয়াহাটির পশ্চিমের ডিসিপি সুপ্রতীভলাল বড়ুয়া জানান, এই বিষয়ে তদন্ত
করার জন্য একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।









কোন মন্তব্য নেই