চা থেকেই যৌবন ধরে রাখার যৌগ বের করে ফেললেন IIT Guwahati-র বাঙালি অধ্যাপক মিহির পুরকাইত ও এমটেক ছাত্র ভি এল ধাডগে!
নয়া
ঠাহর প্রতিবেদন, গুয়াহাটিঃ চা থেকেই যৌবন ধরে রাখার যৌগ বের
করে ফেললেন বাঙালি রসায়নবিদ! আইআইটি গুয়াহাটির কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক
মিহির কুমার পুরকাইত আইআইটির সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টেরও প্রধান। তাঁর সঙ্গেই
গবেষণায় অংশ নেন এমটেক-এর ছাত্র ভি এল ধাডগে।
তাঁরা
জানিয়েছেন,
কমলালেবুর
খোসা,
জাম, ডাল, জিংকো বিলোবা, চা পাতা, সি বাকথর্ন, ক্যামেলিয়া
সিমেম জাতীয়,
জাম
জাতীয় ফল,
চা, পেঁয়াজ, ডাল থেকে
সাইকোঅ্যাকটিভ ড্রাগ ও বয়সের ছাপ কমানোর যৌগ বের করা হয়েছে। এই যৌগ স্বল্প পরিমাণে
মেনে বাঁশের পাতা,
আঙুর, আপেলেও।
আইআইটি
বিবৃতি দিয়ে জানায়,
সাইকোঅ্যাকটিভ
পদার্থ ক্যাফিন ও অ্যান্টি এজিং যৌগ ফ্লাভোনয়েডের চাহিদা বিশ্বজোড়া। ওষুধ তৈরি ও
ফার্মাসুটিক্যাল শিল্পক্ষেত্রে এর বহুল ব্যবহার। পুরকাইত এবং ধাডগে বিভিন্ন ফল, চা পাতার
মিশ্রণ জলে গুলে,
শুকিয়ে
গুঁড়ো করে বিশেষ মেমব্রেন পদ্ধতিতে ক্যাফিন ও ফ্ল্যাভোনয়েড বের করেছেন।
এ
ক্ষেত্রে বাজার চলতি মূল্যবান রাসায়নিক ও যৌগ ব্যবহার করা হয়নি। তাই দামও কম
পড়েছে। বর্তমান দামি প্রযুক্তিকে সহজেই প্রতিস্থাপিত করতে পারবে আইআইটির নতুন, সহজ প্রযুক্তি।
পুরকাইত
জানান,
দ্রবক
ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৮০ শতাংশ খাঁটি ফ্লাভোনয়েড তৈরি করতে পারা সংস্থা
বিশ্বে বেশি নেই। আর ভারত যেহেতু বিশ্বে চায়ের দ্বিতীয় সর্বাধিক উৎপাদক তাই সহজেই
ভারতে প্রচুর পরিমাণে ফ্লাভোনয়েড তৈরি ও রফতানি করা সম্ভব।
শিল্প-বাণিজ্য
মন্ত্রকের হিসেবে ২০১৭ সালে ফ্লাভোনয়েডের চাহিদা বিশ্বের বাজারে ছিল ৩৪৭.৮ মেট্রিক
টন যা ২০২২ সালের মধ্যে ৪১২.৪ টনে পৌঁছাবে। এ ক্ষেত্রে আইআইটির প্রযুক্তি
আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্ন সফল করে ফ্লাভোনয়েডের আমদানি কমিয়ে দেবে।









কোন মন্তব্য নেই