Header Ads

করোনায় আক্রান্ত হাইলাকান্দির ফয়জুল হক বড়ভূঁইয়া সংস্পর্শে আসা ডিমা হাসাও জেলার ছয় রেল যাত্রীকে কোয়ারিন্টাইনে পাঠানো হল

বিপ্লব দেব, হাফলং ৯ এপ্রিলঃ  হাইলাকান্দি জেলার সৌদি ফেরত কভিড ১৯ রোগে আক্রান্ত ফয়জুল হক বড়ভূইয়ার সংস্পর্শে আশা ডিমা হাসাও জেলার ছয় জনকে আজ কোয়ারিন্টাইনে নেওয়া হল।


 ১৭ মার্চ গুয়াহাটি  থেকে গুয়াহাটি-শিলচর ফাষ্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনের এস থ্রি কামরায় ফয়জুল হক বড়ভূইয়ার সঙ্গে ছিলেন ডিমা হাসাও জেলার ছয় জন। এই যাত্রীদের মধ্যে পাঁচ জনই হচ্ছেন হাফলং শহরের বাসিন্দা এবং বাকি এক জন হচ্ছেন মাহুরের বাসিন্দা। এরা সবাই হাই রিক্সে থাকায় আজ এদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। ট্রেভেল লিষ্ট দেখে এদের শনাক্ত করে ডিমা হাসাও জেলাপ্রশাসন।

গত ১৭ মার্চ গুয়াহাটি থেকে শিলচরের উদ্দেশ্যে আসা ৫৫৬১৫ গুয়াহাটি-শিলচর ফাষ্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনের এস থ্রি কামরায় যাত্রা করছিলেন হাইলাকান্দির সৌদি ফেরত ফয়জল হক বড়ভূইয়া। আর এদিন ওই ট্রেনে একই কোচে ডিমা হাসাও জেলার ছয় ব্যক্তি ও যাত্রা করছিলেন। তাই ওই দিন ট্রেনের রিজার্ভেশন তালিকা ডিমা হাসাও জেলাপ্রশাসনের কাছে আসার পরই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওই ছয় ব্যক্তি বৃহস্পতিবার হাফলং শিক্ষা ভবনে কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে আসা হয়। তবে ওই ছয় ব্যক্তির শরীরে এখন পর্যন্ত সংক্রমণের কোনও লক্ষণ নেই বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে ওই ছয় ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখার পাশাপাশি এদের পরিবারের সদস্যদের ও হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান বিভাগের যুগ্ম সঞ্চালক ডঃ দীপালি বর্মন বলেন স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলাপ্রশাসনের পক্ষ থেকে কভিড ১৯ রোগ নিয়ে সজাগতা আনার লক্ষ্যে কাজ করার পর ও লক ডাউন আমান্য করে সাধারন মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন এমনকি অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছেন না। জেলাশাসক অমিতাভ রাজখোয়া বলেন এই ছয় ট্রেন যাত্রীর ট্রেভেল হিস্ট্রি দেখেই এদের কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে কভিড ১৯ রোগ প্রতিরোধের জন্য। তবে এ ক্ষেত্রে কোনও গুজবে কান না দিয়ে সমাজিক যোগাযোগা মাধ্যমে যাতে কোনও ধরনের গুজব ছড়ানো না হয় এই আহ্বান জানান জেলাশাসক। আর কেউ যদি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কভিড ১৯ নিয়ে গুজব ছড়ায় তাহলে এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক অমিতাভ রাজখোয়া।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.