জ্যোতিরাদিত্যকে কাছে টেনে রাহুল গান্ধীর অন্দরমহলে হানা দিতে চাইছে বিজেপি
ননী গোপাল ঘোষ
আপাতভাবে মনে হতে পারে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে দলে টেনে মধ্যপ্রদেশে সরকার গড়াই হয়তো মূল লক্ষ্য মোদী - অমিত শাহের । কিন্তু এর পেছনেও রাজনীতির গভীর অঙ্ক রয়েছে। শুধু সরকার গঠন করাটাই মূল লক্ষ্য নয় বিজেপির। আসলে মোদী - অমিত শাহ চাইছেন রাহুল ঘনিষ্ঠ কংগ্রেসের নবীন নেতাদের রাহুল ব্রিগেড থেকে সরিয়ে এনে, গান্ধী পরিবারকে কোণঠাসা করতে ।
লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস পর্যদুস্ত হওয়ার পর রাহুল গান্ধী দলীয় সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন । রাহুল চেয়েছিলেন , কংগ্রেসের বরিষ্ঠ বর্ষীয়ান নেতারাও ইস্তফা দিন। কিন্তু রাহুল গান্ধীর এই ইচ্ছায় বর্ষীয়ান নেতাদের কেউ সারা দেননি । মোটামুটি সবাই পদ আঁকড়ে রয়েছেন । কংগ্রেসের নবীন প্রজন্মের নেতারা চাইছিলেন কংগ্রেস ওয়ার্কি কমিটি নতুন করে গড়া হোক। কংগ্রেসের পূর্ণ সময়ের সভাপতি ঘোষণা করা হোক। কিন্তু নবীন প্রজন্মের নেতাদের এই ইচ্ছায় কর্ণপাত করা হয়নি।
কে কংগ্রেসের পূর্ণ সময়ের সভাপতি হচ্ছেন সে সম্বন্ধে কোন রা নেই। এর জেরে নবীন প্রজন্মের নেতাদের হতাশা বেড়েই চলেছে । রাহুল গান্ধীও কোনও জোরদার পদক্ষেপ নিচ্ছেন না নবীন প্রজন্মের কংগ্রেসের নেতাদের হতাশা কমাতে ।
জ্যোতিরাদিত্যর কথাই ধরা যাক , মধ্যপ্রদেশের বিধানসভা ভোটে গোটা চম্বল এলাকায় ভাল ফল করেছিল কংগ্রেস । এই ভাল ফলাফলের কৃতিত্ব অনেকটাই জ্যোতিরাদিত্যর। তিনি আশা করেছিলেন, দল তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী না করলেও নিদেনপক্ষে উপমুখ্যমন্ত্রী করবে । কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি । উল্টে মধ্যপ্রদেশের বষীর্য়ান নেতা কমলনাথ, দিগ্বিজয় সিং, সুরেশ পাচৌরি উঠেপড়ে লাগলেন জ্যোতিরাদিত্যকে দলেই কোণঠাসা করতে । যার জেরে দলের মধ্যেই হাঁসফাঁস অবস্থা হল জ্যোতিরাদিত্যের । রাহুল গান্ধী কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার পর রাহুলের একেবারে ঘনিষ্ঠ বলয় বৃত্তের নেতা হয়ে উঠেছিলেন জ্যোতিরাদিত্য। লোকসভায়ও তাঁকে দেখা যেত রাহুল গান্ধীর পাশে বসে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে । সেই জ্যোতিরাদিত্যকে টেনে নিয়ে শুধু মধ্যপ্রদেশের নয় , বিজেপি বার্তা দিল রাহুল ঘনিষ্ঠ কংগ্রেসের নবীন প্রজন্মের নেতাদের ।
কোন রাখঢাক না করেই বিজেপি নেতা শাহনওয়াজ হুসেন বলেছেন, শচীন পাইলটের মতো কংগ্রেসের যে সব নবীন নেতা তাঁদের দলকে নিয়ে হতাশ, হাঁসফাঁস অবস্থায় রয়েছেন, তাঁদের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে স্বাগত জানানোর জন্য অপেক্ষা করছে বিজেপি ।
বিজেপি চাইছে কংগ্রেসের নবীন প্রজন্মের যেসব নেতারা ভাবছেন দলে তাঁদের ভবিষ্যত খুব একটা ভাল অবস্থায় নেই। সেইসব নেতাদের দলে টেনে এনে গান্ধী পরিবারকে কোণঠাসা করতে । কাজেই মধ্যপ্রদেশের ক্ষমতা দখল করাটাই বিজেপির একমাত্র উদ্দেশ্য নয় ।
আপাতভাবে মনে হতে পারে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে দলে টেনে মধ্যপ্রদেশে সরকার গড়াই হয়তো মূল লক্ষ্য মোদী - অমিত শাহের । কিন্তু এর পেছনেও রাজনীতির গভীর অঙ্ক রয়েছে। শুধু সরকার গঠন করাটাই মূল লক্ষ্য নয় বিজেপির। আসলে মোদী - অমিত শাহ চাইছেন রাহুল ঘনিষ্ঠ কংগ্রেসের নবীন নেতাদের রাহুল ব্রিগেড থেকে সরিয়ে এনে, গান্ধী পরিবারকে কোণঠাসা করতে ।
ছবি, সৌঃ ইন্টারনেট
লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস পর্যদুস্ত হওয়ার পর রাহুল গান্ধী দলীয় সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন । রাহুল চেয়েছিলেন , কংগ্রেসের বরিষ্ঠ বর্ষীয়ান নেতারাও ইস্তফা দিন। কিন্তু রাহুল গান্ধীর এই ইচ্ছায় বর্ষীয়ান নেতাদের কেউ সারা দেননি । মোটামুটি সবাই পদ আঁকড়ে রয়েছেন । কংগ্রেসের নবীন প্রজন্মের নেতারা চাইছিলেন কংগ্রেস ওয়ার্কি কমিটি নতুন করে গড়া হোক। কংগ্রেসের পূর্ণ সময়ের সভাপতি ঘোষণা করা হোক। কিন্তু নবীন প্রজন্মের নেতাদের এই ইচ্ছায় কর্ণপাত করা হয়নি।
কে কংগ্রেসের পূর্ণ সময়ের সভাপতি হচ্ছেন সে সম্বন্ধে কোন রা নেই। এর জেরে নবীন প্রজন্মের নেতাদের হতাশা বেড়েই চলেছে । রাহুল গান্ধীও কোনও জোরদার পদক্ষেপ নিচ্ছেন না নবীন প্রজন্মের কংগ্রেসের নেতাদের হতাশা কমাতে ।
জ্যোতিরাদিত্যর কথাই ধরা যাক , মধ্যপ্রদেশের বিধানসভা ভোটে গোটা চম্বল এলাকায় ভাল ফল করেছিল কংগ্রেস । এই ভাল ফলাফলের কৃতিত্ব অনেকটাই জ্যোতিরাদিত্যর। তিনি আশা করেছিলেন, দল তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী না করলেও নিদেনপক্ষে উপমুখ্যমন্ত্রী করবে । কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি । উল্টে মধ্যপ্রদেশের বষীর্য়ান নেতা কমলনাথ, দিগ্বিজয় সিং, সুরেশ পাচৌরি উঠেপড়ে লাগলেন জ্যোতিরাদিত্যকে দলেই কোণঠাসা করতে । যার জেরে দলের মধ্যেই হাঁসফাঁস অবস্থা হল জ্যোতিরাদিত্যের । রাহুল গান্ধী কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার পর রাহুলের একেবারে ঘনিষ্ঠ বলয় বৃত্তের নেতা হয়ে উঠেছিলেন জ্যোতিরাদিত্য। লোকসভায়ও তাঁকে দেখা যেত রাহুল গান্ধীর পাশে বসে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে । সেই জ্যোতিরাদিত্যকে টেনে নিয়ে শুধু মধ্যপ্রদেশের নয় , বিজেপি বার্তা দিল রাহুল ঘনিষ্ঠ কংগ্রেসের নবীন প্রজন্মের নেতাদের ।
কোন রাখঢাক না করেই বিজেপি নেতা শাহনওয়াজ হুসেন বলেছেন, শচীন পাইলটের মতো কংগ্রেসের যে সব নবীন নেতা তাঁদের দলকে নিয়ে হতাশ, হাঁসফাঁস অবস্থায় রয়েছেন, তাঁদের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে স্বাগত জানানোর জন্য অপেক্ষা করছে বিজেপি ।
বিজেপি চাইছে কংগ্রেসের নবীন প্রজন্মের যেসব নেতারা ভাবছেন দলে তাঁদের ভবিষ্যত খুব একটা ভাল অবস্থায় নেই। সেইসব নেতাদের দলে টেনে এনে গান্ধী পরিবারকে কোণঠাসা করতে । কাজেই মধ্যপ্রদেশের ক্ষমতা দখল করাটাই বিজেপির একমাত্র উদ্দেশ্য নয় ।









কোন মন্তব্য নেই