Header Ads

প্রশাসনকে মানবিক হতে পরামর্শ, পুরভোটের সামনে একের পর এক নির্দেশ নেত্রী মমতার!!

বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায় 


বুধবার বাঁকুড়ার পর বৃহস্পতিবার পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর। কখনও হাল্কাভাবে, আবার কখনও কড়া মেজাজে নির্দেশ দিতে দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল দুটি দফতরের বিরুদ্ধে নজরদারি চালানোর। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, মানবিকভাবে চালাতে হবে রাজ্যের হাসপাতালগুলিও।
ভেঙে পড়েছিল ২ বছর আগে তৈরি জলের ট্যাঙ্ক। বিষয়টি নিয় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভূমি সংস্কার দফতর এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের ঘুঘুর বাসা ভাঙতে হবে। দুর্নীতি দমন শাখাকে এই দুই দফতরের ওপর নজরদারি চালাতে নির্দেশ দেন তিনি। হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে কড়া আইন তৈরি করবে সরকার।. ঠিকাদার সংস্থার সম্পত্তি ক্রোক করা হবে। যে ঠিকাদার সংস্থা এই কাজ করেছিল তাকেই ফের কাজটি করে দিতে হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।




মুখ্যমন্ত্রী এদিন মানবিকভাবে হাসপাতাল চালানোর উপদেশ দিয়েছেন। প্রশাসনিক বৈঠকে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই প্রসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি হাসপাতালের লাইসেন্স রিনিউ নাও করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন গণ্ডগোল থাকলেও কোনও শিল্প বন্ধ করা যাবে না। মন্ত্রীর সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে আলোচনায় বসতে হবে বলেও নির্দেশ দেন তিনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দলে কর্মীরাই সম্পদ, নেতারা নন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তিনিও সাধারণ মানুষ। যে কর্মী বুথে এজেন্ট হয়ে বসেন, তাঁকে তিনি সব থেকে বেশি ভালবাসেন বলে জানিয়েছেন। তৃণমূল সুপ্রিমো জানিয়েছিলেন, যাঁরা মাটির ঘরে থাকে, মাটির ঘরে য়ায়, তাঁদের তিনি ভালবাসেন। যাঁরা আইসিডিএস-এ কাজ করেন, দলের নিচুতলায় প্রচার সামলান তাঁদের তিনি ভালবাসেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন কার্যত সতর্ক করে দিয়েছিলেন দলের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের। নাম, গোত্র না উল্লেখ করেই তিনি বলেছিলেন, যাঁরা নিজেদের ছাড়া কাউকে ভালবাসে না, তারা তাঁর নজরে রয়েছেন।

No comments

Powered by Blogger.