Header Ads

মমতার বাংলায় কি রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ !

বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায়ঃ

তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া যা জানালেন রাজ্যপাল 
বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ করবেন না তিনি। সাফ জানিয়ে দিলেন বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিলেন, রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করতে চান না, চান দেখতে।
তাঁর বক্তব্য, আলোচনা করেই সমস্যার সমাধান গণতন্ত্রে সেরা উপায়। তাই দেখতে চাই কে কতদূর যেতে পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করেননি তিনি। তবে বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বুঝিয়েছেন তাঁর কথার ধরণে। শনিবার সন্ধ্যায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় এক অনুষ্ঠানে গিয়ে এ কথা বলেন।
তার আগে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বিকৃতমনস্ক বলে তোপ দাগেন রাজ্যপাল। শিক্ষামন্ত্রীও পাল্টা বিবৃতি দেন। 

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস করার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন, তাঁরা এই আইন মানবেন না। বাংলায় ওই আইনের বাস্তবায়ন হবে না। তারপর তিনি জানিয়েছেন এনপিআরও মানবেন না। তারপর রাজ্যপালকে বিজেপির মুখপাত্র আখ্যা দিয়ে তিনি জানান ক্ষমতা থাকলে সরকার ফেলে দিক রাজ্যপাল!
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনও সরকারই বলতে পারে না সংসদে পাস হওয়া কোনও আইন মানব না। তাহলে সংবি্ধান সংকট দেখা দেবে। এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৌশলগতভাবেই সংঘাত জারি রেখেছেন কেন্দ্রের সঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র বা রাজ্যপাল কী পদক্ষেপ করেন, তা-ই দেখার।
রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ কেন নয়--রাজ্যপালের কাছে সেই প্রশ্নই করেছিলেন সাংবাদিকরা। তার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপাল বলেন, তিনি রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করবেন না। তবে রাজ্যপাল বুঝিয়ে দেন, তিনি দমবার পাত্র নন। তাঁর কাজ তিনি চালিয়ে যাবেন বলে সাফ জানান। একইসঙ্গে তিনি তুলে ধরেন কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা তাঁর অবমাননা করেছেন। সাংবিধানিকভাবে লক্ষ্মণরেখা অতিক্রম করিনি জানিয়ে রাজ্যপাল বলেন, আমি কোথাও সাংবিধানিকভাবে লক্ষ্মণরেখা অতিক্রম করিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য থেকে শুরু করে রাজ্যের মন্ত্রীরা শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়েছেন। উপাচার্যরা দলদাসের মতো আচরণ করছে। আবার উল্টোদিকে অভিয়ো রাজ্যপাল বিজেপির মুখপাত্রের মতো মন্তব্য করছেন। এই অবস্থাতেই উভয় পক্ষের বাকযুদ্ধ দিনদিন জমজমাট হয়ে উঠছে। সিএএ নিয়ে মুখ খুললেন মোহন ভাগবত, সংবিধানকেই মান্যতা দেয় আরএসএস, দাবি সুপ্রিমোর

No comments

Powered by Blogger.