Header Ads

ভারত তো হিন্দুদের বাসভূমি - রাজদীপ



নয়া ঠাহর প্রতিবেদন, বদরপুর : শনিবার সন্ধ্যায় বদরপুর বি জে পি-র ডাকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কা-এর সমর্থনে এক বিরাট জনসভা অনুষ্ঠিত হয় বদরপুর হনুমান মন্দিরের নিকটস্থ প্রাঙ্গণে। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ  ডাঃ রাজ্দীপ রায়  বলেন নাগরিকত্ব সংশোধন আইন কোন ধর্মের কোন ভারতীয়কেই প্রভাবিত করবে না। 
“নাগরিকত্ব সংশোধন আইন নিয়ে হিংসাত্মক প্রতিবাদ দুর্ভাগ্যজনক ও অত্যন্ত পীড়াদায়ক।
বিতর্ক, আলাপ-আলোচনা ও ভিন্নমত পোষণ গণতন্ত্রের অভিন্ন অঙ্গ। কিন্তু, সরকারি সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি এবং সাধারণ জনজীবন বিঘ্নিত করার ঘটনা আমাদের নীতিবিরুদ্ধ বিষয়।সংসদের উভয় কক্ষে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন, ২০১৯ বিপুল সমর্থন পেয়ে পাশ হয়েছে। একাধিক রাজনৈতিক দল ও সাংসদ এই আইন পাশে সমর্থন জানান। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কোন ধর্মের কোন নাগরিকের ওপরই বিরূপ প্রভাব ফেলবে না। কোন ভারতীয়ের এই আইন নিয়ে ভীতির কারণ নেই। বহু বছর ধরে যাঁরা ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার এবং যাঁদের কাছে ভারতে আসা ছাড়া অন্য কোন বিকল্প ছিল না, এই আইন কেবল তাঁদের জন্যই।
এখন সময় হল ভারতের উন্নয়নে একযোগে কাজ করা এবং প্রত্যেক ভারতীয়ের বিশেষ করে, দরিদ্র, পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক মানুষের ক্ষমতায়ন ঘটানো। স্বার্থপর কিছু গোষ্ঠীর বিশৃঙ্খলা ও অশান্তিকর পরিবেশ তৈরি করে আমাদের মধ্যে বিভাজনের প্রচেষ্টাকে কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এখন সময় হল শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার।
করিমগঞ্জের  সাংসদ  কৃপানাথ মালা  বলেন, মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন বিরোধীরা। নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য এই আইন প্রদান করা হচ্ছে।" তিনি এই ব্যাপারে বর্তমান শাসক দলের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, 'রাজ্যে মানুষের ভুল বার্তা প্রচার করছে কংগ্রেস, এআইইউডিফ সহ অন্যান্য সংগঠন। তিনি আরও জানান, ধর্মের ভিত্তিতে অখণ্ড ভারতকে ভেঙে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান তৈরি হয়েছে। কিন্তু বহু হিন্দু শরাণার্থী ভারতে এসে আজও প্রতারিত হয়ে চলেছেন।” দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে অনেক সরকার এসেছে। কিন্তু কেউ কোনও গুরুত্ব দেয়নি। যার কারণে সেই সকল হিন্দু শরণার্থীরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে এসেছেন।” বিজেপি সেই প্রতিকূলতা কাটিয়ে দিতে চলেছে বলে দাবি করেন তিনি । এদিন মিশন রঞ্জন দাস, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য, সুব্রত ভট্টাচার্য সহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

No comments

Powered by Blogger.