Header Ads

উত্তর পূর্বাঞ্চল সফরে এসে রহস্যময় পজেটিভ এনার্জি দিয়ে ঘেরা পাণ্ডুর "ওম বাবা "আশ্রম পরিদর্শন করলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্যকরী সভাপতি শ্রীমৎ স্বামীপূর্ণাত্মানন্দজী মহারাজ



তপবন সাদৃশ্য এই আশ্রম সাধনার জন্য উপযুক্ত: শ্রীমৎ স্বামী পূর্ণাত্মানন্দজী মহারাজ

দেবযানী পাটিকর।
গুয়াহাটিকে বলা হয় মন্দিরের শহর ।অনেক ছোট -বড় মন্দির রয়েছে শহরে।এই সমস্ত মন্দিরের সাথে রয়েছে অনেক পুরানো ইতিহাস। নীলাচল পাহাড় স্থিত বিখ্যাত শক্তিপীঠ কামাখ্যা ধাম ছাড়াও রয়েছে বিখ্যাত পাণ্ডুনাথ মন্দির ।এই মন্দিরের ইতিহাস অনেক পুরানো। পাণ্ডুনাথ মন্দিরের ইতিহাসে জানা যায় যে দ্বাপর যুগে পঞ্চপান্ডবরা বনবাসে যাবার আগে এই পাণ্ডুনাথ মন্দিরে এসেছিলেন। ব্রম্মপুত্রের ঘাটে যেটা বর্তমানে পাণ্ডু ঘাট নামে নামে প্রসিদ্ধ, সেখানে স্নান করে পাণ্ডবরা কামাখ্যায় যান । পান্ডুর টেম্পল ঘাটের ইতিহাসও অনেক পুরানো।পাণ্ডুনাথ মন্দিরের কিছুটা উপরে টিলার ওপর রয়েছে ওম বাবার আশ্রম । উত্তর-পূর্বাঞ্চল সফরে এসে এই রহস্যময় পজিটিভ এনার্জি দিয়ে ঘেরা পান্ডুর ওম বাবা আশ্রম পরিদর্শন করলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্যকরী সভাপতি স্বামী পূর্ণাত্মানন্দজী  মহারাজ।

                                 



স্বামীজি আসার সংবাদে পান্ডু তথা নগরের বিভিন্ন স্থান থেকে অনেক ভক্তরা তার দর্শনের জন্য ওম বাবার আশ্রমে এসেছিলেন সেখানে তিনি ভক্তদেরকে সাথে বিভিন্ন বিষয় যেমন সন্ন্যাসী ,সংগঠন আর্ত পীড়িত মানুষের ত্রাণ, সমাজ ,সংস্কার মানুষের লক্ষ্য, ধর্ম ,প্রকৃত জীবন ,পুণ্য কাজ ,মহাশক্তি ,ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা অধ্যবসায় সংগ্রাম, জীবন,মূল্যবোধ,নিজের বহু অভিজ্ঞতা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন ও ভক্তদের জীবনে চলার উপদেশ প্রদান করেন। উল্লেখ্য যে ওম বাবার আশ্রম বর্তমানে ভারত সেবাশ্রমের একটি শাখা। শিলং ভারত সেবাশ্রম সংঘের অধ্যক্ষ স্বামী পূর্ণব্রতানন্দজী মহারাজ এর দায়িত্বে রয়েছেন। এক রহস্যময় সাকারাত্মক এনার্জি দিয়ে ঘেরা এই আশ্রমে না গেলে  অনুভব করতে পারা যায়না এই শক্তিকে। একে অনুভব করতে গেলে আশ্রমের সাথে একাত্ম হতে হয়।  আশ্রমের কিছুটা নিচে চলছে ব্রহ্মপুত্র নদ ।চারিদিকে অসংখ্য ঔষধীয় গুন যুক্তগাছ দিয়ে ঘেরা এই আশ্রম। শহরের কোলাহল থেকে দূর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও দূষণমুক্ত এই আশ্রমে  সকালে পাখির কুজনে ঘুম ভেঙে  সূর্যোদয় দেখা আর সন্ধ্যা বেলা সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখার দৃশ্য ভীষণ সুন্দর।শুধু ভারত সেবাশ্রমের স্বামীজীরা ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে সাধনার জন্য স্বামীজিরা  এখানে আসেন কিছুদিন থেকে আবার নিজের জায়গায় ফিরে যান। ওম বাবা আশ্রমের স্থাপয়িতা ওম বাবা ঋষি অরবিন্দের সাথী ছিলেন এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের দিনে ব্রিটিশদের বিরুদ্বে লড়াই করেছিলেন ।তিনি আলিপুর ব্লাস্টের সাথে জড়িত ছিলেন ।তিনি পরে এই আশ্রমের চলে আসেন সাধনার জন্য ।তার স্ত্রীও তার সাথে ছিলেন ।শোনা যায় তার দুই ছেলেরাও পরে সন্যাস নিয়েছিলেন ।





ওম বাবা এই আশ্রমের নাম রাখেন ঋজ্বদ্রি। "ঋজ্ব" র অর্থ হল "উচ্চ" আর  "দ্রি" র অর্থ হল "পাহাড়" । ঋজ্বদ্রির অর্থ  "উচু পাহাড়"। ভারত সেবাশ্রম সংঘের স্বামীজী পূর্ণব্রতানন্দজী মহারাজ এই আশ্রমের দায়িত্ব গ্রহণ করার পরে ওম বাবার স্মৃতিতে আশ্রমের  এই নামই বহাল রাখেন । ওম বাবার মৃত্যুর পর এই আশ্রমের দেখাশোনা করার জন্য কেউ ছিলনা ১৯৮৭ সনে বঙ্গবিন্দ পরমপন্থী মহারাজ ওম বাবা আশ্রম ট্রাস্ট (ডিব্রুগড় ,আসাম) ভারত সেবাশ্রম সংঘের তৎকালীন সেক্রেটারী শ্রীমৎ স্বামী বিকাশানন্দজী মহারাজকে এই আশ্রমের দায়িত্ব নেবার জন্য অনুরোধ করেন কিন্তু নানা কারণে সেই সময়ে সেটা হয়নি। পরে ২০০৭ সালে গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কৃত বিভাগের প্রধান প্রিয়াংশু উপাধ্যায় যিনি ওম বাবা আশ্রমের দেখাশোনা করতেন তিনি ভারত সেবাশ্রমকে জানান যে কিছু অসাধু ব্যক্তিদের দ্বারা আশ্রমের জায়গা বেদখল হয়ে যাচ্ছে ।এর মধ্যে কিছু ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে। তিনি আরো বলেন যে "আমাদের এই আশ্রমকে বাঁচাতে হবে না হলে এই আশ্রম শেষ হয়ে যাবে ,এর সাথে  ১০০ বছরে বেশী পুুরানো  ইতিহাস নষ্ট হয়ে়ে যাবে। ২০১০ সালে ওম বাবা আশ্রমের
                                    



দায়িত্ব ভারত সেবাশ্রম সংঘ নেয়। এখন পাঁচজন ছেলে এখানে থেকে পড়াশোনা করছে । এর দায়িত্বে রয়েছেন  শিলং ভারত সেবাশ্রম সংঘের অধ্যক্ষ স্বামী পূর্নব্রতানন্দজী মহারাজ । উপাধ্যায়় মহাশয বলতেন যে," ওম বাবার আশির্বাদে আমাদের কোন ক্ষতি হবেনা ।কোন খারাপ কিছু স্পর্শ করতে পারবে না এ আশ্রমকে। "তিনি বেশ কয়েক বছর আগে ইহলোক  ত্যাগ করেছেন । স্বামী  পূর্নব্রতানন্দজী মহারাজ এই জায়গায় বৈদিক রিসার্চ সেন্টার তৈরী করার আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন ।যেখানে  মেডিটেশন ,যোগ থেরাপি সেন্টার, বৈদিক  শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে ।গরীব ছাত্রদের জন্য তৈরি করা হবে ছাত্রাবাস। এই আশ্রমটি হবে সাধনার উপযুক্ত স্থান। 

4 comments:

  1. I was fortunate one to receive the blessing of His Holiness Purnatmanandaji Maharaj on that occasion. I am thankful to Swami Purnatmanandaji for arranging such an auspicious occasion and give us a chance to participate. I am regular visitor of RJWATHRI ASHRAM where I find solitariness, peace and natural beauty.I must thank Swami Purnabraji for maintening the AhramA so beautifully in its original form. I wish blessings of Gurumaharaj with him to accomplish his dream project.

    ReplyDelete
  2. Jai Gurumaharaj. I am very much fortunate and thankful to Swami Purabratanandaji for such an auspicious information I have got. I love to be with this Sevashram.

    ReplyDelete

Powered by Blogger.