Header Ads

রাজ্যে ছয় জনগােষ্ঠী ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিসেবে চিহ্নিত

নয়া ঠাহর প্রতিবেদন।
আজ বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে তেরস গােয়ালার এক প্রশ্নের জবাবে সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী রঞ্জিত দত্ত জানান, রাজ্যে ইসলামধর্মাবলম্বী মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৬ লক্ষ ৭৯ হাজার ৩৪৫ জন, খৃষ্টান ধর্মাবলম্বী ১১ লক্ষ ৬৫ হাজার ৮৬৭ জন, শিখ ধর্মাবলম্বী ২ লক্ষ ৬৭২ জন, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ৫ লক্ষ ৪ হাজার ৯৯৩ জন, জৈন ধর্মাবলম্বী ২৫ হাজার ৯৪৯ জন, পার্শি ধর্মাবলম্বীর মানুষ নেই। সর্বমােট ১১৯৪৬৮২৬ জন মানুষ ২০১১ সালের জনগণনায় এই ছয় জনগােষ্ঠীর সংখ্যা জানা গেছে। এই ছয় জনগােষ্ঠীকে রাষ্ট্রীয় সংখ্যালঘু আয়ােগ ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মন্ত্রী বলেন, বৌদ্ধ, খৃষ্টীন জনগােষ্ঠীর উন্নয়ন সেভাবে হয়নি। তবে এক বিশেষ জনগােষ্ঠীর উন্নয়ন হয়েছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘু মানেই এক বিশেষ সম্প্রদায় নয়। এখন ধারণা পরিবর্তন হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’অনুযায়ী সবজনগােষ্ঠীর উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর। খৃষ্টান-বৌদ্ধরা বঞ্চিত হতে পারে না। আমরাই এইবিভাগে ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগােষ্ঠীর প্রতিনিধি নয়, অসমিয়া জনগােষ্ঠীর প্রতিনিধির হাতে এই বিভাগের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। এই মন্তব্যে বিরােধীরা প্রতিবাদে ফেটে পরে। মামুন ইমদাদুল হক চৌধুরী, কংগ্রেসের রূপজ্যোতি কর্মী, ওয়াজেদ আলি চৌধুরী প্রমুখ বিশেষ সম্প্রদায় কেন বলা হচ্ছে বলে জিজ্ঞাসা করেন। অধ্যক্ষ হিতেন্দ্রনাথ গােস্বামী বিরােধীদের কথায়। কথায় ধৈৰ্য্য না হারিয়ে সংযম রক্ষার পরামর্শ দেন। পরস্পর পরস্পরকে মর্যাদা সম্মান দিয়ে কথা বলার অনুরােধ জানান। এআইইউডিএফের মামুন ইমদাদুল বলেন, সংখ্যালঘু সংখ্যাগুরু এইইস্যু বাদ দিতে হবে। ৩৪.২ শতাংশ মুসলিম মানুষের মধ্যে সর্বাধিক চর অঞ্চলে বসবাস করেন। সেইসব এলাকায় বিচিত্র ভৌগােলিক চরিত্র। বছরে বছরে ঘর ভাঙে, চর এলাকা পরিবর্তিত হয়। সেই মানুষগুলির ঠিকানাও বদলিয়ে যায়। ৫০ শতাংশের ক্ষেত্রে এরকম হয়েছে। ঠিকমতাে জরিপ হলে পুরাে তথ্য প্রকাশ্যে আসবে। মন্ত্রী দত্ত জানান, সংখ্যালঘু মানুষদের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এমএসডিপি কর্মসূচির অধীনে ধর্মীয় সংখ্যালঘু মানুষদেরই-রিক্স, সােলার লাইট, এএনএম প্রশিক্ষণ, ডিটিপি প্রশিক্ষণ, হাজি মুসাফিরখানা গুলি সংস্কার প্রভৃটি কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। চর এলাকায় সেলাই মেশিন, বাইসাইকেল, তারা হ্যান্ড পাম্প,ই-রিক্স, সােলার হােম লাইট প্রভৃতি বিতরণের ব্যবস্থা করেছে সরকার।

No comments

Powered by Blogger.