Header Ads

ক্ষমতা থাকলে নির্বাচনী ইস্তেহারে ৩৭০ ধারা বলবৎ করার প্রতিশ্রুতি দিক বিরোধীরা, চ্যালেঞ্জ নরেন্দ্র মোদীর

বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায় : দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকে অ্যাকশন মুডে আছে কেন্দ্রের মোদী সরকার। দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর লোকসভার প্রথম অধিবেশনে রেকর্ড গড়েছে এনডিএ সরকার। একের পর এক বিল পেশ ও পাশ করিয়ে বিগত সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে তারা। আর যেসব বিল পাশ হয়েছিল তাদের মধ্যে অন্যতম ছিল তিন তালাক আইন, ইউপিএ বিল এবং কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়া। এই তিনটে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করানোর সময় মোদী বিরোধীরা লোকসভা এবং রাজ্যসভা দুই সংসদীয় কক্ষেই তুমুল হৈ-হাঙ্গামা করেন। কিন্তু কোন ভাবে এই বিল গুলোকে আটকাতে পারেনি বিরোধীরা। তিন তালাক বিলের বিরোধিতা করে হায়দ্রাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বলেছিলেন, ‘ইসলামে বিবাহ কোন বন্ধন নয়। ওটা একটা কন্ট্রাক্ট মাত্র।” তেমনই কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর কংগ্রেসের সাংসদীয় দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কাশ্মীর নিয়ে বিতর্কিত বিবৃতি দিয়েছিলেন। 
লোকসভা ভোট শেষ হওয়ার পর এবার মহারাষ্ট্রের বিধানসভা ভোটের প্রচারে নেমেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর সেই কারণেই আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জলগাঁওতে একটি নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিতে যান। সেখান থেকে তিনি কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়া আর তিন তালাক বিল পাশ নিয়ে বিরোধীদের ওপেন চ্যালেঞ্জ জানান।
রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, বিরোধীরা তিন তালাক বিল পাশ আর কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়েছিল। তিনি কংগেস আর এনসিপির নাম না নিয়েই আক্রমণ করে বলেন, যদি বিরোধীদের ক্ষমতা থাকে, তাহলে তাঁরা নির্বাচনী ইস্তেহারে লিখুন যে, ক্ষমতায় এলে তাঁরা আবার কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বহাল করবে এবং তিন তালাক আইন প্রত্যাহার করে নেবে। এরপর তিনি মহারাষ্ট্রের দুই বিরোধীদলের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে ওকালতি করার অভিযোগও তোলেন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.