গুয়াহাটিতে ওড়িশা পর্যটনের রোড শো সম্পন্ন
ওড়িশা ও অসম এই দুই রাজ্য সম্বলপুররের লক্ষ্মীনাথ বেজবড়ুয়ার গৃহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবে:নির্মল চন্দ্র দাস।
দেবযানী পাটিকর গুয়াহাটি।ফিকির উদ্যগে আয়োজিত এক রোড শোতে সম্পন্ন হয়ে যায় সম্প্রতি জালুকবাড়ি স্থিত পাঁচতারা হোটেল রেডিশন ব্লুতে।এর সাথে সংগতি রেখে এক সংবাদমেলের আয়োজন করা হয়।উল্লেখ্য যে রাজ্যের সংশ্লিষ্ট অভিযানটি ইতিমধ্যে মুম্বাই,নতুন দিল্লী, কেরেলা, ও কলকাতাতে সম্পন্ন হয়েছে।এদিনের এই সম্মেলনে ওড়িশা পর্যটন বিভাগের সঞ্চালক নির্মালচন্দ্র মিশ্র ওডিসাতে থাকা বিভিন্ন পার্যটনের সম্ভাবনাময় গুলেরতে আলোকপাত করেন।ওড়িশাতে রয়েছে পরম্পরাগত পর্যটন,ও আধ্যাত্নিক পর্যটন ক্ষেত্র, ওয়াইল্ড লাইফ সেঞ্চুরি, বন্য জীবজন্তু,পরিযায়ী পাখী, মেলা,হস্ততাঁত,ও খেলা ধুলা।নির্মল চন্দ্র মিশ্র এ প্রসঙ্গে বলেন যে ওড়িশা ক্রীড়া ক্ষেত্রের দিকে বিশেষ উন্নতি করেছে।২০২০সালের ফিফা ১৭ অনুর্ধ মহিলা ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা অনুষ্ঠিত হবে ওডিশাতে ।গুয়াহাটি তে রোড শো দ্বারা যথেষ্ট সংখ্যক পর্যটক উত্তর পূর্বাঞ্চল থেকে ওড়িশাতে যাবার আশা করা হচ্ছে। এখন গুয়াহাটি -ভুবনেশ্বর বিমান সেবা শুরু হবার পরে পর্যটক ছাড়াও ব্যবসায়ীরাও বিশেষভাবে আকর্ষিত হয়েছে।
উল্লেখনীয় যে এই দুটি রাজ্য সম্বলপুরে থাকা সাহিত্য রথীর লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া গৃহটি সংরক্ষণের দ্বারা দুই রাজ্যের সংস্কৃতি সমন্বয় আরও ঘনিষ্ঠ করে তুলবে। দুই রাজ্যের অনুদান থেকেই এই প্রকল্প রূপায়ণ করবে "ইনটেক "নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রকল্পের মাধ্যমে অসমীয়া সাহিত্যের সাহিত্যিক লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার সাহিত্যকর্মকে সম্বলপুরের ঘরটিতে সংরক্ষণ করে রাখা হবে।১৯১৭সনে তিনি কাঠের ব্যাবসার জন্য উড়িষ্যার।সম্বলপুর আসেন। উড়িষ্যা সরকার বিশেষভাবে ইকো ট্যুরিজম পরম্পরাগত পর্যটন ও হস্তশিল্প ইত্যাদি বিষয়ের উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করেছে।ওডিশাকে মন্দিরের শহর বলা হয়। এখানে অনেক মন্দির রয়েছে। আবার অসমকেও মন্দিরের শহর বলা হয়। কারণ অসমেও অনেক মন্দির রয়েছে ।এ প্রসঙ্গে নির্মল চন্দ্র মিশ্র বলেন যে আসামের লোকেরা ভুবনেশ্বর যায় জগন্নাথের মন্দির দর্শন করতে ,আবার ওদিকে উড়িষ্যার লোকেরাও নীলাচল।পাহাড় পর স্থিত বিখ্যাত শক্তিপীঠ কামাখ্যা পরিদর্শন করতে আসেন।পর্যটনের ক্ষেত্রর উন্নতি হলে দেশ বিদেশের পর্যটকরাও ওড়িশাতে আসবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।










কোন মন্তব্য নেই