Header Ads

বরাকের কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল কলেজের স্বপ্ন অধরাই রইল

নয়া ঠাহর প্রতিবেদন, শিলচর : তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক তপোধীর ভট্টাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় অনুদান আয়োগ ও মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকে, আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের জন্য  সাল ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষে একটি ডিপিআর পাঠান। তিনি এক কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের জন্য বরাকের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসকের পরামর্শও  নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কয়েকটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। পরে জানা যায় যে কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের জন্য মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক ও বিশ্ববিদ্যালয় অনুদান আয়োগ তৎকালীন উপাচার্যকে ডিপিআরটি পাঠাতে বলেছিল। নির্দেশমতো তৎকালীন উপাচার্য ডিপিআরও পাঠান। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের মঞ্জুরি আসেনি । 
উল্লেখ্য, বানারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল কলেজ আছে। তৎসঙ্গে দেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল কলেজ আছে। বরাক উপত্যকায় কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল কলেজ হলে এর ফল পেত বিস্তীর্ন বরাক  উপত্যকার জনগন তৎসঙ্গে  মণিপুর, মিজোরাম, ও ত্রিপুরাবাসিরাও। শিলচর মেডিকেল কলেজের ভার কিছুটা কম হত। উন্নত চিকিৎসার জন্য এ অঞ্চলের জনগণকে আর বাইরে যাওয়ার দরকার পড়তো না। বর্তমানে, এতদঞ্চলের জনগণকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভেলোর, বেঙ্গলোর, হায়দ্রাবাদ আদি স্থানে যেতে হয়। এতে নিজের সঞ্চিত অর্থ ও জমিজমা বিক্রি করে উন্নত চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে সর্বস্বান্ত হতে হয়। এমতাবস্থায় আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল কলেজ স্থাপিত হলে মেডিক্যাল টুরিজ্যমের নয়া দুয়ার খুলবে ও বরাক তথা আসামের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় আজ পর্যন্ত বরাক বাসির এ স্বপ্ন পূরণে কোনো জনপ্রতিনিধিকে কোনো ধরনের সার্থক পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.