Header Ads

উন্নাও ধর্ষণ কাণ্ডে উঠে আসছে একের পর এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য

নয়া ঠাহর ওয়েব ডেস্কঃ একেবারে যেন সিনেমার কাহিনীর মতো। তবে দেরিতে হলেও সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে উত্তরপ্ৰদেশের যোগী সরকার। উন্নাও ধৰ্ষণ কাণ্ডে বহিষ্কার করা হয়েছে বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গারকে। গত রবিবার দুৰ্ঘটনার পরে উন্নাওয়ের ধৰ্ষিতার মা বলেছিলেন, জেল থেকে বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গারই তাঁদের মারার চক্ৰান্ত করেছে। পরে তাঁকে জেরায় উঠে এসেছে আরও চমকে দেওয়া সব তথ্য। ধৰ্ষিতার মার ভাষ্য মতে জানা গিয়েছে- কুলদীপের ঘনিষ্ঠরা তাঁর আর এক মেয়েরও শ্লীলতাহানি করেছে। তাঁর স্বামীকে গাছে বেঁধে মারধর করেছে। ফলত তাঁর কিডনি গুরুতরভাবে ক্ষত হয়েছে।
 ছবি, সৌঃ আন্তৰ্জাল



ধর্ষণের মামলাকে ঢাকা দেওয়ার জন্য ধৰ্ষিতার বাবাকে বেআইনি অস্ত্ৰ রাখার দায়ে গ্ৰেফতার করা হয়। তারপর জেলে এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁর মৃত্যু হয়। অভিযোগ, পুলিশের অত্যাচারেই তিনি মারা গিয়েছেন।
দিন কয়েক আগে উইমেন রাইটস প্যানেলের প্ৰতিনিধিদের সামনে বিধায়কদের অত্যাচারের কথা জানিয়েছেন নিগৃহীতার মা। তাঁর কাছ থেকে জানা গেছে- কুলদীপের গুণ্ডারা তাঁদের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিত। বিধায়কের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেওয়ার কথা বলতো। সেই সময় তারা তার ছোট মেয়েরও শ্লীলতাহানী করেছিল। গুণ্ডারা তাঁর শাশুড়িকে পৰ্যন্ত ছাড়েনি, শাশুড়িকেও মারধর করেছিল। সরকার তাদের কোনও সাহায্য করেনি। ধৰ্ষিতার মায়ের আরও অভিযোগ, পুলিশ তাঁদের বিধায়কের বিরুদ্ধে ধৰ্ষণের মামলা দায়ের করতে বাধা দিচ্ছিল। এক বছর পুলিশ তাদের নানাভাবে হেনস্থা করেছে। তারপরে ধৰ্ষিতা ও তার পরিবারের লোকজন মুখ্যমন্ত্ৰী যোগী আদিত্যনাথের বাড়ির সামনে গিয়ে গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে ঘটনাটি প্ৰকাশ্যে আসে। তারপর মামলার তদন্ত চলতে থাকে। এখনও পৰ্যন্ত চলছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.