Header Ads

শিলচর সৎসঙ্গ বিহারে 'বড়মার' ১২৬তম জন্মদিবস পালন

নয়া ঠাহর প্রতিবেদন, শিলচর : শিলচরে সৎসঙ্গ বিহারে আজ বুধবার,পরমারাধ্য জগজ্জননীর শ্রীশ্রী বড়মার ১২৬তম জন্মদিবস পালন করতে সারম্ভরে দেখা গিয়েছে। এই উৎসবের আনন্দের ডেউ শিলচর সৎসঙ্গ বিহার প্রাঙ্গনে সৎসঙ্গী দাদা ও মায়েদের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়েছিল। এই উৎসবে প্রচুর ভিড় ছিল।  প্রাতঃকালের নিয়মিত বিনতি প্রার্থনা ও প্রনাম, সকাল ৮.৫০ মি: জগজ্জননী শ্রীশ্রী বড়মার শুভ জন্মলগ্ন ঘোষণা, গুড়ের বাতাস-লুচি-ছোলার ডাল ও বুদে সহযোগে প্রসাদ বিতরণ। তৎপর সঙ্গীতাঞ্জলী,ভোগরাগ। এগারোটায় মাতৃসম্বেলন। এই মাতৃসম্বিলনে প্রধান বক্তব্যের বিষয় ছিল 'নারী নীতীর বাস্তব রূপায়নে শ্রীশ্রী বড়মা'- এই নিয়ে শ্রীশ্রী ঠাকুরের নারী নীতির প্রথম বাণীটি-"মেয়ে আমার,
                তোমার সেবা,তোমার চলা,
                 তোমার চিন্তা,তোমার বলা
  পুরুষ -জনসাধারণের ভিতর
        যেন এমন একটা ভাবের সৃষ্টি করে-
      যা'তে তারা
অবনতমস্তকে,নতজানু হ'য়ে,
            সসম্ভ্রমে,
         ভক্তিগদগদ কণ্ঠে -
'মা আমার,- জননী আমার '! ব'লে
 মুগ্ধ হয়,বুদ্ধ হয়, তৃপ্ত হয়,কৃতার্থ হয়,-
        তবেই তুমি মেয়ে,
               - তবেই তুমি  সতী।
এই প্রথম বানী সহ  প্রত্যকটি বানী শ্রীশ্রীবড়মার মধ্যে মুক্ত ছিল তা নিয়ে বিষদ আলোচনা করেন প্রথম বক্তা অপর্ণা ভট্টাচার্য্য। পরবর্তী বক্তার  বক্তব্যে মাতৃত্বের চিন্মময়ী রূপ  শ্রীশ্রী বড়মার মধ্যে  মুক্ত থাকার বাস্তব চিত্র নিয়ে আলোচনা করেন সাস্বতী সেন গুপ্ত। দুপুর বারটা ত্রিশে আনন্দবাজারে ভাত,ডাল,আলু-সোয়াবিন তরকারি ও আনারসের চাটনি  সহযোগে প্রসাদ বিতরণ হয়। প্রায় তিন -চার হাজার মানুষ প্রসাদ গ্রহণ করেন।
দুপুর এক -টা থেকে সঙ্গীতাঞ্জলি,কুইজ,নৃত্যালেখ্য ও বিভিন্ন  সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান সহ ধামাইল গানে আনন্দের বৈন্যায় উৎসব মণ্ডল মুখরিত ছিল,তন্দ্রা রায়ের গানে । বিকেল ছয়টা তের মিনিটে সমবেত প্রার্থনা,প্রনাম, নামজপ,ধর্মগ্রন্থাধি পাঠ করা হয়। সন্ধ্যা সাতটায় শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের নাম সংকীর্তন ও সৎসঙ্গের মাধ্যমে  উৎসবের  সমাপ্তি ঘটে।এই উৎসবের লক্ষ্যনীয় দিক হ 'ল সম্পূর্ণ ভাবে মাতৃ সম্মেলন শিলচর দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।প্রত্যেক মায়েরা এই উৎসবে বিভিন্ন ভাবে যোগান দিয়ে ,প্রকৃতির উৎসবটিকে সাফল্য মণ্ডিত করে নিজেদেরকে ধন্য মনে করছেন। ঐ দিন মাতৃকুলের মধ্যে আনন্দের জোয়ারের  ছবি দেখা গিয়েছিল । এইভাবে  বরাকের বিভিন্ন সৎসঙ্গ মন্দির সহ কেন্দ্রগুলিতে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল  বলে জানা য়ায়।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.