বরাকে পর্যটনের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক বিকাশ হবে : বিধায়ক রাজদীপ
নয়া ঠাহর প্রতিবেদন, হাইলাকান্দি : বরাকে পর্যটনের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করা যে সম্ভব তার পক্ষে গত ২৭ জুলাই আসাম বিধানসভায় লক্ষীপুরের যুব বিধায়ক ও প্রয়াত অসমের প্রাক্তনমন্ত্রী দীনেশ প্রসাদ গোয়ালার সুপুত্র রাজদীপ গোয়ালা জোড়ালো দাবী করেন। তৎসঙ্গে সোনাইয়ের শাসক দলের বিধায়ক আমিনুল হক লস্কর মহাশয়ও একই আবেদন রাখেন। বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের দেশের পর্যটনকে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে আর্থিক বিকাশের পথে অনেকটাই এগিয়ে যাচ্ছে। যেমন ভিয়েতনাম,মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া,শ্রীলংকা, সুইজারল্যান্ড ইত্যাদি দেশ।
বরাক উপত্যকায় থাকা বিদ্যমান ঐতিহাসিক, ধর্মীয় স্থানের পাশাপাশি আছে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম সুপায়ু জলের হ্রদ শনবিল। আছে চাতলা বক্রিয়ার মতো বৃহৎ হাওর। পর্যটন শিল্পের বিকাশে বাড়বে স্থানীয় শিল্পের চাহিদা লুপ্ত কুটীর শিল্পের বিকাশ ঘটবে সৃষ্টি হবে নুতন কর্মসংস্থান। গুরুত্ব বাড়বে পর্যটন নিবাস গুলির, সাথে হোটেল ব্যাবসা ও তরান্বিত হবে। তাছাড়া বড়খলার বিধায়ক কিশোর নাথ বড়াইল পাহাড়ের সংলগ্ন বনাঞ্চলে চিড়িয়াখানা তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন।
বরাকের সার্বিক উন্নয়নে বিধায়কেরা উত্থাপিত প্রস্তাবগুলির যাতে কার্যে বাস্তবায়ন হয় তার দিকে নজর রাখছেন বরাকের চল্লিশ লক্ষ জনগণ। বরাকের উন্নয়নে শুধু আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ যেন না থাকে তার জন্যও বরাকের বিধায়ক মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন হাইলাকান্দির সংস্থা রুদ্রানী ও জেলা যুব উন্নয়ন ফরামের কর্মকর্তারা। লক্ষীপুরের যুব বিধায়ক রাজদীপ গোয়ালা মহাশয়ের ভাষণে যথেষ্ট উৎসাহিত রুদ্রানীর সংস্থার সম্পাদক অভ্রাংশু চৌধুরী। তিনি রাজদীপ বাবুকে ব্যাক্তিগতভাবে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছন বলে আমাদের প্রতিনিধিকে অবগত করান। তাছাড়া জেলা যুব উন্নয়ন ফরামের কর্মকর্তা গোবিন্দ লাল চ্যাটার্জি, জওহরলাল নাথ ও রাজদীপ গোয়ালাকে ধন্যবাদ জানাছেন আমাদের নয়া ঠাহরের মাধ্যমে।









কোন মন্তব্য নেই