Header Ads

কর্নাটকের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নাটক, আটক শিবকুমার

নয়া ঠাহর প্রতিবেদন: কর্ণাটকের কংগ্রেস-জেডিএস সরকার বাঁচাতে মরিয়া দুই দল। বুধবার এনিয়ে চলল দিনভর নাটক। এলাকা জুড়ে জারি করতে হল ১৪৪ ধারা। নাটকের শুরু বুধবার সকালে, কর্ণাটকের কংগ্রেস নেতা শিবকুমার বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের সঙ্গে দেখা করতে পৌঁছে যান যে হোটেলে বিক্ষুব্ধ বিধায়কেরা রয়েছে সেই হোটেল রেঁনেসাসে। শিবকুমার যে হোটেল অবধি ধাওয়া করবেন সে ব্যাপারে আগেভাগেই আশঙ্কা করে বিক্ষুব্ধ বিধায়কেরা মঙ্গলবার রাতেই চিঠি দিয়েছিলেন মুম্বাই পুলিশকে। বিক্ষুব্ধদের উপর দেখা করে চাপ বাড়াতে পারেন শিবকুমার এই আশঙ্কাও করছিলেন বিধায়কেরা।
চিঠি পাওয়ার পর মহারাষ্ট্রের বিজেপি-শিবসেনা সরকার হোটেলে কড়া পাহাড়ার ব্যবস্থা করে। বুধবার সকালে হোটেল  রেঁনেসাসে শিবকুমার পৌঁছান বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশে। সেখানে পুলিশ তাঁকে আটকে দেয়। শিবকুমার পুলিশকে জানান, এই হোটেলেই তাঁর রুম নেওয়া আছে। তিনি ভেতরে গিয়ে তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করে গল্প করেন ও কফি খেতে চান। পুলিশ তখন স্পষ্টভাবে শিবকুমারকে জানিয়ে দেয় তাঁকে হোটেলে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। কারণ, হোটেলের কয়েকজন আবাসিক ভয় পাচ্ছেন। হোটেল কর্তৃপক্ষও শিবকুমারকে জানিয়ে দেয় তাঁর বুক করা রুম বিশেষ কারণে বাতিল করা হয়েছে ।
এরপরই তর্কাতর্কি শুরু হয় শিবকুমারের সঙ্গে পুলিশের । মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে তখন। বৃষ্টির মধ্যেই দাঁড়িয়ে প্রায় ঘন্টা কয়েক অপেক্ষা করেন তিনি । শিবকুমারের সঙ্গে ছিলেন মুম্বাই কংগ্রেসের দুই নেতা মিলিন্দ দেওরা ও সন্জয় নিরুপম । একসময় আটক করা হয় তাঁদের । আটক করে তাঁদের রাখা হয় কালিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেষ্ট হাউসে।
এদিকে আজই আরো দুই কংগ্রেস বিধায়ক ইস্তফাপত্র দিলেন। বিধায়কেরা হলেন এম টি বি নাগরাজের ও কে সুধাকর । এঁদের নিয়ে ইস্তফাপত্র দেওয়া মোট বিধায়কেরা সংখ্যা দাঁড়াল ১৬ জনে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.