বাংলাদেশে পৈতৃক ভিটায় অগ্নিসংযোগের ঘটনায় প্ৰিয়া সাহা মন্ত্ৰীর দ্বারস্থ হয়েও বিচার পাননি, সংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ রানা দাশগুপ্তের
নয়া ঠাহর ওয়েব ডেস্কঃ বাংলাদেশে পৈতৃক ভিটায় অগ্নি সংযোগের ঘটনায় প্ৰিয়া সাহা মন্ত্ৰীর কাছে অভিযোগ করেও বিচার পাননি। সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্ৰিস্টান ঐক্য পরিষদ-এর সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত। প্ৰিয়াকে তাঁর ভুল সাংগঠনিক পরিচয়ের জন্য পরিষদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মাৰ্কিন প্ৰেসিডেন্টের কাছে দেওয়া বক্তব্যের জন্য নয়। সাংগঠনিক পরিচিতি নিয়ে সৃষ্ট বিভ্ৰান্তির পরিপ্ৰেক্ষিতে এটিকে সংগঠন বিরোধী কৰ্মকাণ্ড বিবেচনায় গত ২৩ জুলাই সংগঠনের কেন্দ্ৰীয় স্থায়ী কমিটির জরুরি সভায় প্ৰিয়া সাহাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি ঢাকায় ফিরলে তাঁর বক্তব্য শুনে তারপর পরবৰ্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে জাতীয় প্ৰেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মিয়া হলে পরিষদের আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানিয়েছেন রানা দাশগুপ্ত।
ছবি, সৌঃ আন্তৰ্জাল
চলতি বছরের মাৰ্চের দিকে প্ৰিয়ার পৈতৃক বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। ঘটনার বিচার চেয়ে তিনি আইনি প্ৰক্ৰিয়ার পাশাপাশি ওপার বাংলার স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ন ও গণপূৰ্ত মন্ত্ৰীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। এই কারণেই হয়তো তাঁর মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন রানা দাশগুপ্ত।
প্ৰসঙ্গক্ৰমে তিনি এও বলেন- প্ৰিয়া সাহার বক্তব্যকে নিয়ে সম্প্ৰদায় বিশেষকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর যে অভিসন্ধি লক্ষ্য করা গেছে তা অত্যন্ত দুৰ্ভাগ্যজনক। তবে গত ২১ জুলাই প্ৰিয়া সাহার কাছ থেকে ব্যাখ্যা জানার আগে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার পাশাপাশি তাঁর পরিবারের জীবন ও সম্পদ রক্ষার ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে প্ৰধানমন্ত্ৰীর নিৰ্দেশ গোটা জাতিকে আশ্বস্ত করেছে।
এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- পরিষদের প্ৰেসিডিয়াম সদস্য নিমচন্দ্ৰ ভৌমিক, বাসুদেব ধর, নিৰ্মল রোজারিও, জোসেফ মণ্ডল, আইনজীবী পরিমল গুহ, জয়ন্তী রায় সমেত আরও অনেকেই। এদিন পরিষদের তরফে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সমস্যা নিরুপণ ও তা থেকে উত্তরণে সুপারিশ প্ৰণয়নের জন্য সংসদীয় কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্ৰিস্টান ঐক্য পরিষদ। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নিৰ্যাতন বন্ধ হয়েছে কি না, সাংবাদিকদের ছোড়া প্ৰশ্নের জবাবে তিনি বলেন- নিৰ্যাতন বন্ধ আছে কি- না সেটা তো বলেছিই। আগে যে হারে ছিল তার থেকে কমতি ঠিকই আছে। কিন্তু আমরা তো বলছি নিৰ্যাতনের ধারাটা অব্যাহত আছে।









কোন মন্তব্য নেই