কেন্দ্ৰীয় জল সম্পদ মন্ত্রী আকাশমার্গ থেকে অসমে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ফিরে গেলেন, বন্যার কারণে বিধানসভা অধিবেশন পিছিয়ে দেওয়া হল
নয়া ঠাহর প্ৰতিবেদন, গুয়াহাটিঃ
অসমের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি এক সপ্তাহ পরেও অপরিবর্তীত। ৩১ টি জেলার প্রায় ৫০ লাখ মানুষ বন্যার কবলে পড়েছে কম করেও ৫০০ টি গ্রাম প্লাবিত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দু লাখেরও বেশি হেক্টর কৃষি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৫০০ টি ত্রান শিবির, ২৪২ টি ত্রাণ সরবরাহ কেন্দ্র স্থাপন করা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।
রাজ্যের বন্যাৰ্তেরা খাদ্য তো পাচ্ছেনা, সামান্য পানীয় জলের জন্যে হাহাকার করছে। পশু খাদ্য, শিশু খাদ্যে, ঔষধ পত্র কিছুই পাচ্ছেনা বলে বন্যা দুর্গতারা অভিযোগ করে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত মঙ্গলবার আকাশমার্গ থেকে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন, পরে মাজুলিতে রাজ্যের জলম্পদ মন্ত্রী কেশব মহন্ত, রাজস্ব মন্ত্রী ভবেশ কলিতা এবং গুয়াহাটি বরঝাড় বিমান বন্দরে মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল, বিজেপি সভাপতি রঞ্জিত দাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বসে বন্যা পরিস্থিতি পৰ্যালোচনা করেন। রাজ্যের অর্থ মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এদিন এক ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন এসডিআরএফ খাতে ১৪ অর্থ কমিশনের সুপারিশ মেনে কেন্দ্রীয় সরকারের অংশ হিসাবে ২৫১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা রিলিজ করে দিয়েছে। রাজ্যের ভয়াবহ বন্যা, যোগাযোগ ব্যাবস্থা ভেঙে পড়েছে, বিধায়করা ১৮ জুলাইয়ের বিধানসভা অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে বিধানসভার অধ্যক্ষ হিতেন্দ্র নাথ গোস্বামী এদিন সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে জানিয়ে দিলেন। পরবর্তী বিধানসভা অধিবেশনের তারিখ ঠিক করা হয়েছে ২৬ জুলাই। ৩১ জুলাই এনআরসি- র চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা আছে, বিধানসভা চলবে, অধ্যক্ষ জানান তা হলেও কোনও অসুবিধা হবে না।
বন্যার্তদের মধ্যে যেমন হাহাকার অবস্থা ঠিক কাজিরাঙা, পবিতরা, ডিব্রুসইখোয়া প্রভৃতি অভয়ারণ্যের জন্তু জানোয়ারদের মধ্যে হাহাকার অবস্থা, দিশাহারা অবস্থায় অস্বাভাবিক আচরণ করছে। রাষ্ট্রীয় উদ্যান কাজিরাঙার ৯৫ ভাগ ব্রহ্মপুত্রের জলে ডুবে গেছে। ৪ টি গণ্ডার জলে ডুবে মারা গেছে। ২০ টিরও বেশি হরিণ জলে ডুবে মারা গেছে। ৮ টি হরিণ ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পার হতে গিয়ে গাড়ি চাপা পড়ে মারা গেছে। বেশ কয়েকটি হরিণ, অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে।
জন্তু জানোয়ারদের বিপদের দিনে একাংশ চোরা শিকারি হরিণ হত্যা করে মাংস বিক্রি করে চড়া দরে, কাজিরাঙায় হরিণ হত্যা করার জন্যে বোকাখাত পুলিশ ৪ জনকে মঙ্গলবার গ্রেফতার করেছে। তাদের কাছ থেকে চার কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করেছে। ২০১৫ সালের পর পুনরায় গুয়াহাটি মহানগরের প্রধান বাজার ফেন্সি বাজার, ভরলু পুলিশ থানা, উজান বাজার, পাণ্ডু এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদ বিপদসীমা থেকে ১.৪৮ ডিগ্রি সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। আরও বৃষ্টি হলে মহানগরের বিরাট একটা অংশ জলে ডুবে যাবে। রাজ্যের বানভাসি মানুষ চিকিৎসার নূন্যতম সুবিধা পাচ্ছে না বলে অভিযোগের মধ্যে নৌকায় সন্তানের জন্ম দেওয়ার মতো করুণ ঘটনা ঘটল। একটি বোকাখাত অপরটি নগরবেড়ায় নৌকায় সন্তান জন্মের খবর পাওয়া গেছে। বোকাখাতের সন্তানের নাম রাখা হয়েছে কৃষ্ণ, এরকম এক প্রলয় কালে ধরাধামে শ্ৰীকৃষ্ণ এসেছিলেন।
রাজ্যের বন্যাৰ্তেরা খাদ্য তো পাচ্ছেনা, সামান্য পানীয় জলের জন্যে হাহাকার করছে। পশু খাদ্য, শিশু খাদ্যে, ঔষধ পত্র কিছুই পাচ্ছেনা বলে বন্যা দুর্গতারা অভিযোগ করে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত মঙ্গলবার আকাশমার্গ থেকে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন, পরে মাজুলিতে রাজ্যের জলম্পদ মন্ত্রী কেশব মহন্ত, রাজস্ব মন্ত্রী ভবেশ কলিতা এবং গুয়াহাটি বরঝাড় বিমান বন্দরে মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল, বিজেপি সভাপতি রঞ্জিত দাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বসে বন্যা পরিস্থিতি পৰ্যালোচনা করেন। রাজ্যের অর্থ মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এদিন এক ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন এসডিআরএফ খাতে ১৪ অর্থ কমিশনের সুপারিশ মেনে কেন্দ্রীয় সরকারের অংশ হিসাবে ২৫১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা রিলিজ করে দিয়েছে। রাজ্যের ভয়াবহ বন্যা, যোগাযোগ ব্যাবস্থা ভেঙে পড়েছে, বিধায়করা ১৮ জুলাইয়ের বিধানসভা অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে বিধানসভার অধ্যক্ষ হিতেন্দ্র নাথ গোস্বামী এদিন সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে জানিয়ে দিলেন। পরবর্তী বিধানসভা অধিবেশনের তারিখ ঠিক করা হয়েছে ২৬ জুলাই। ৩১ জুলাই এনআরসি- র চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা আছে, বিধানসভা চলবে, অধ্যক্ষ জানান তা হলেও কোনও অসুবিধা হবে না।
বন্যার্তদের মধ্যে যেমন হাহাকার অবস্থা ঠিক কাজিরাঙা, পবিতরা, ডিব্রুসইখোয়া প্রভৃতি অভয়ারণ্যের জন্তু জানোয়ারদের মধ্যে হাহাকার অবস্থা, দিশাহারা অবস্থায় অস্বাভাবিক আচরণ করছে। রাষ্ট্রীয় উদ্যান কাজিরাঙার ৯৫ ভাগ ব্রহ্মপুত্রের জলে ডুবে গেছে। ৪ টি গণ্ডার জলে ডুবে মারা গেছে। ২০ টিরও বেশি হরিণ জলে ডুবে মারা গেছে। ৮ টি হরিণ ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পার হতে গিয়ে গাড়ি চাপা পড়ে মারা গেছে। বেশ কয়েকটি হরিণ, অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে।
জন্তু জানোয়ারদের বিপদের দিনে একাংশ চোরা শিকারি হরিণ হত্যা করে মাংস বিক্রি করে চড়া দরে, কাজিরাঙায় হরিণ হত্যা করার জন্যে বোকাখাত পুলিশ ৪ জনকে মঙ্গলবার গ্রেফতার করেছে। তাদের কাছ থেকে চার কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করেছে। ২০১৫ সালের পর পুনরায় গুয়াহাটি মহানগরের প্রধান বাজার ফেন্সি বাজার, ভরলু পুলিশ থানা, উজান বাজার, পাণ্ডু এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদ বিপদসীমা থেকে ১.৪৮ ডিগ্রি সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। আরও বৃষ্টি হলে মহানগরের বিরাট একটা অংশ জলে ডুবে যাবে। রাজ্যের বানভাসি মানুষ চিকিৎসার নূন্যতম সুবিধা পাচ্ছে না বলে অভিযোগের মধ্যে নৌকায় সন্তানের জন্ম দেওয়ার মতো করুণ ঘটনা ঘটল। একটি বোকাখাত অপরটি নগরবেড়ায় নৌকায় সন্তান জন্মের খবর পাওয়া গেছে। বোকাখাতের সন্তানের নাম রাখা হয়েছে কৃষ্ণ, এরকম এক প্রলয় কালে ধরাধামে শ্ৰীকৃষ্ণ এসেছিলেন।









কোন মন্তব্য নেই