Header Ads

অসমে ৭০ হাজার বিদেশি আছে, তাদের তাড়ানো সম্ভব নয়, ভিড়ে মিশে গেছে। সুপ্রিমকোর্টে একথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার

নয়াদিল্লিঃ  অসমে ৭০ হাজার বিদেশি আছে। তাদেরকে তাড়ানো সম্ভব নয়। মানুষের ভিড়ের মধ্যে মিশে গেছে। অসম সরকারের পক্ষে সুপ্রিমকোর্টে হলফনামা দাখিল করে সোমবার এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করা হয়েছে। এই অবৈধ বাংলাদেশীদের আর সনাক্ত করে তাড়ানো সম্ভব নয়, ভিড়ে মিশে গেছে। রাজ্যের মুখ্যসচিব আলোক কুমার সুপ্রিমকোর্টে উপস্থিত না থাকায় সুপ্রিমকোর্ট কড়া মনোভাব গ্রহণ করে আগামী ৮ এপ্রিলের মধ্যে হাজিরা দেবার নির্দেশ দিয়েছেন। সশরীরে হাজির না হলে তাঁর বিরুদ্ধে জামিন বিহীন গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হবে বলেও এদিন সুপ্রিম কোর্ট কড়া রায় দিয়ে বলেছেন। অবৈধ বিদেশিদের শরীরে রেডিও ফ্ৰিকোয়েন্সি চিফ লাগিয়ে দেবার প্ৰস্তাবও দিয়েছে অসম সরকার। গতকাল বিশিষ্ট মানবাধিকার কৰ্মী হৰ্ষ মন্দারের আবেদন (কেস নং ১০৪৫/১৮) আবেদনের শুনানি গ্ৰহণ করেন মুখ্য বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। সেখানে অসমের মুখ্য সচিব উপস্থিত ছিলেন না। কিন্তু মুখ্য সচিব আলোক কুমারের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা অসম সরকারের পক্ষে হলফনামা দাখিল করে বলেন- গত ১০ বছরে অসমে চিহ্নত ৭০ হাজার ঘোষিত অবৈধ বিদেশির কোনও ঠিকানা নেই। অসমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে এই অবৈধ বিদেশীরা মিশে গেছে। একথা শুনে মুখ্য বিচারপতি রঞ্জন গগৈ তীব্ৰ ক্ষোভ প্ৰকাশ করে রাজ্য সরকারের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট ব্যক্ত করেন। তিনি মুখ্য সচিবকে উপস্থিত না থাকার কারণ জানতে চান। অসম সরকারের হলফনামা অনুসারে ফরেনাৰ্স ট্ৰাইবুন্যালে প্ৰায় ৯১ হাজার ৬০৯ জনকে অবৈধ বিদেশি করে ঘোষণা করা হয়েছে। তার মধ্যে ৭২ হাজার ৪৮৬ জন পলাতক। প্ৰায় ৯০০ জন ডিটেনশন ক্যাম্পে রয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.