Header Ads

বিক্ষিপ্ত হিংসা ও অশান্তির মাঝে পশ্চিমবঙ্গে শেষ হলো চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ ৪০ বিধায়ক গেরুয়া দলের সাথে যোগাযোগ রাখছেন, দাবি প্রধানমন্ত্রীর

নয়া ঠাহর প্রতিবেদন, কোলকাতা: শেষ হলো চতুর্থ পর্যায়ের  নির্বাচন । গোটা দেশের মোট ৯টি রাজ্যের একটি ৭১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হলে সোমবার। মোট প্রার্থী ছিলেন ৯৪৫ জন।   ৯টি রাজ্যের মধ্যে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়ল  সবচেয়ে বেশি পশ্চিমবঙ্গে ।রাজ্যে ভোট হবে মোট ৮টি লোকসভা আসনে।এই ৮টি আসনেই  প্রার্থী দিয়েছে প্রধান চারটি দল ।তৃণমূল, কংগ্রেস, বিজেপি ,ও বাম।
চতুর্থ পর্যায়ের ভোটগ্রহণে বীরভূমের দুবরাজপুর পাডুইতে গুলি ,নদীয়ার হাঁসখালিতে বোমাবাজি ,বাবুল সুপ্রিয় কে নিয়ে উত্তেজনা, ছাপ্পা ভোট ,হুমকি, মারধর ,লাঠিচার্জ, ইত্যাদি বিক্ষিপ্ত ঘটনার হয়েছে । অশান্তি ছড়ানোর ছড়ানোর অভিযোগে, ১৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ও।ছয়টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে রাজ্য পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে ।ওদিকে চতুর্থবার ভোটের দিন পশ্চিমবঙ্গে প্রচার চালানেন নরেন্দ্র মোদী। শ্রীরামপুর একটি জন সভাতে নরেন্দ্র মোদী বলেন যে দিদির পায়ের তলার মাটি সরে গেছে। ,২৩ মে তে যখন চারিদিকে কমল ফুল ফুটবে তখন দিদি বিধায়করা দিদিকে ছেড়ে চলে যাবে।  এখনই আপনার ৪০জন বিধায়ক আমার সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। ২৩মে তে তারা দলবদল করে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করবেন।তিনি আরও বলেন যে রামকৃষ্ণ, নেতাজি চৈতন্যর পূণ্যভূমিতে যতই আমাকে আঘাত করা হোকনা  কেন সেটা আমাক কাছে পুণ্য হয়েই ফিরে আসবে।
ওদিকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন যে অসমে এনারসি কিভাবে হয় সেটা দেখব। ২২লক্ষ্য হিন্দু ও ২০ লক্ষ্য মুসস্লামান কে অবৈধ বিদেশী সাজিয়ে এনারসি কিভাবে করা হয় তা তৃণমূল দেখে নেবে।
শুধু রাজনৈতিক দলগুলোই নয় সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে সিভিজিল  অ্যাপের মাধ্যমে কমিশনের কাছে ভোট নিয়ে নানা অভিযোগ করা হয়েছে।
চতুর্থ দফাতে অশান্ত হয় জেমুরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। সোমবার সকালে অশান্তির খবর পেয়ে বারাবনি বুথে ঢোকার পর আক্রান্ত হন সংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় ।নির্বাচনের দিন সকালে রণক্ষেত্রের পরিণত হয় জেমুরা। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে স্থানীয় লোকেরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। অবশেষে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়। এরপরে শুরু হয় ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া। স্থানীয় তৃণমূল আর বিজেপি কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয় দু'পক্ষের খন্ডযুদ্ধের খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছায় পুলিশ  লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.