গুয়াহাটিতে বুনো হাতির সন্ত্ৰাস
নয়া ঠাহর প্ৰতিবেদন, গুয়াহাটিঃ জঙ্ঙ্গল কেটে শেষ। চারদিকে খাদ্যের সংকট। ফের একবার খাদ্য়ের খোঁজে গুয়াহাটি মহানগরের মাঝরাস্তায় চলে এসেছে গজরাজ। দিন কয়েক আগেও মহানগরের রাস্তায় খাবার খুঁজতে দেখা গিয়েছিল একটি হাতিকে। মহানগরের জি এস রোডে মঙ্গলবার বুনো হাতির সন্ত্ৰাস। এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এদিন সকাল থেকেই হাতিটি হেটে চলেছে। হাটতে হাটতে যথেষ্ট ক্লান্ত হয়ে পড়ে হাতিটি। মহানগরের পাথরকুয়ারি, নারেঙ্গি, বরবারি, হেঙেরাবাড়ি, জিএস রোড, খ্ৰিস্টানবস্তি, গণেশগুড়ি এলাকা পার হয়ে সন্ধ্যার দিকে শ্ৰীনগর উপপথে ঢুকে পড়ে হাতিটি। চারদিকে মানুষের ভিড় দেখে ভয় পেয়ে যায় হাতিটি। এরপর সন্ধ্যা ৬ টা ২০ নাগাদ শ্রীনগরের রেসিডেনসিয়াল এলাকায় ঢুকে পরে হাতিটি। পাহাড়ে খাদ্যের অভাবের কারণে আমসাং পাহাড় থেকে লোকালয়ে নেমে এসেছে হাতিটি। লোকের ভিড়ের কারণে হাতিটি কোথায় যাবে দিক বিদিক শূন্য হয়ে পড়ে। হাতিটি একটি বাড়িতে গিয়ে দাঁড়িয়ে যায়। বন বিভাগের কৰ্মীদের ভাষ্যমতে জানা গিয়েছে প্ৰায়ই হাতিটি মহানগরে লোকালয়ে চলে আসে। তাদের মতে হাতিটি মানুষ দেখতে একপ্ৰকার অভ্যস্ত। এদিকে হাতি দেখে চারদিকে লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়েছে। সকলেই সেলফি নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়লে হাতিটি এগিয়ে চলার ক্ষেত্ৰে অসুবিধার সৃষ্টি হয়। দিন কয়েক আগেও গুয়াহাটিতে রাস্তার ধারে একটি বুনো হাতিকে খাওয়ারের খোঁজে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। এদিন খ্ৰিস্টান বস্তি দিয়ে যাওয়ার সময় হাতিটিকে একবার ট্ৰ্যাঙ্কুলাইজ করা হয়। ট্ৰাঙ্কুলাইজ করার আধঘন্টা পর হাতিটির শরীর ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে আসে। পৌনে সাত টা নাগাদ শ্ৰীনগর উপপথের একটি বাড়ির উঠোনে গিয়ে আশ্ৰয় নিয়েছে হাতিটি। হাতিটিকে নিয়ে এখন ভালোই বিপদে পড়েছেন বন বিভাগের কৰ্মীরা। হাতিটিকে উদ্ধার করে তাকে রাজ্য চিরিয়াখানায় পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এখনও পৰ্যন্ত হাতিটি কারও কোনও ক্ষতি করেনি। যেই বাড়িতে হাতিটি গিয়ে আশ্ৰয় নিয়েছে বন বিভাগের পরামৰ্শ মতে সেই বাড়িটিতে বিদ্যুতের আলো নিভিয়ে রাখা হয়েছে। হাতিটির দিকে কোনো ধরনের লাইট দেওয়া হয়নি। এই প্ৰতিবেদন লেখা পৰ্যন্ত বন বিভাগের কৰ্মীরা কিভাবে হাতিটিকে চিরিয়াখানায় নিয়ে যাওয়া যায় তার পরিকল্পনা করছেন।










কোন মন্তব্য নেই