Header Ads

কার্বি-আংলংয়ে কংগ্রেস সহ আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল এএসডিসি এইচএসডিসি ও কেএডিএফ দলে ধস নেমেছে


 বিপ্লব দেব, হাফলংঃ লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কার্বি-আংলং জেলায় কংগ্রেস সহ আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল এএসডিসি এইচএসডিসি কেএফডি দলে ব্যাপক ধস নেমেছে। এই চারটি রাজনৈতিক দল ছেড়ে প্রায় ৬ হাজার নেতা কর্মী বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কার্বি স্বশাসিত পরিষদের অধীনে লুমবাজাং সিংহাসন ধনশিরি নির্বাচন কেন্দ্রের অধীনে কংগ্রেস এএসডিসি এইচএসডিসি কেএডিএফ দল ছেড়ে প্রায় ৬ হাজার সদস্য গেরুয়া দলে যোগ দেন। ডিফুতে রাজ্যের পার্বত্য এলাকা উন্নয়ন মন্ত্রী সুম রংহাং কার্বি পরিষদের সিইএম তুলিরাম রংহাং ও বোকাজানের বিধায়ক ডঃ নুমুল মোমিন ও বিজেপি নেতা বিদ্যাসিং ইংলেংর উপস্থিতিতে কংগ্রেস নেতা ধনসিং ক্রামসার নেতৃত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন এই ৬ হাজার সদস্য। কারণ অসমের এই তিনটি পার্বত্য জেলায় কংগ্রেস প্রার্থী বীরেন সিং ইংতির বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া বইছে। তাছাড়া আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল গুলির অবস্থাও প্রায় শোচনীয় হয়ে পড়েছে এই অবস্থায় লোকসভা নির্বাচনের আগে এই দলবদলের পালা অব্যাহত রয়েছে তিনটি পাহাড়ি জেলাতে। এদিকে শুক্রবার ডিফু লুরুলাংসু খেলার মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় ডিফু আসনের বিজেপি প্রার্থী হরেন সিং বে-র হয়ে ভোট চাইলেন কার্বি পরিষদের সিইএম তুলিরাম রংহাং। জনসভায় সিইএম ভাষন প্রসঙ্গে বিজেপি বুথ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিজেপিকে জয়ী করতে জোর কদমে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান যাতে পশ্চিম কার্বি-আংলং কার্বি-আংলং ডিমা হাসাও জেলায় এবার পদ্ম ফুঁটে এবং অসমের ১৪ টি লোকসভা আসনের মধ্যে তিনটি পাহাড়ি জেলা মিলে ৩ নম্বর ডিফু জনজাতি সংরক্ষিত আসনে বিজেপি প্রার্থী রেকর্ড সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হতে পারেন এই লক্ষ্যে বিজেপির সব নেতা কর্মীদের কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান সিইএম তুলিরাম রংহাং। তাছাড়া নির্বাচনী জনসভায় কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করে সবকা সাথ সবকা বিকাশ ও অসমের এই তিনটি পাহাড়ি জেলার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ডিফু লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী হরেন সিং বে-কে বিপুল ভোটে জয়ী করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান রাজ্যের মন্ত্রী সুম রংহাং বিধায়ক ডঃ নুমুল মোমিন ও বিদ্যাসিং ইংলেং। এদিকে নির্বাচনের মুখে পশ্চিম কার্বি-আংলং কার্বি-আংলং ও ডিমা হাসাও জেলায় ফ্লাইয়িং স্কোয়াড ও সার্ভিল্যান্স টিম ব্যাপক তৎপর রয়েছে। কারন ভোটের মুখে যাতে অর্থ দিয়ে কোনও ভোটারকে প্রভাবিত করতে না পারে কেউ এনিয়ে ফ্লাইয়িং স্কোয়ার্ড সম্পূর্ণ সতর্ক দৃষ্টি রেখে চলছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.