নিৰ্বাচনী ইস্তাহার প্ৰকাশ করল কংগ্ৰেস, জোর দেওয়া হয়েছে ন্যায়ের ওপর
ছবি, সৌঃজিপ্লাস
নয়া ঠাহর প্ৰতিবেদন, নয়াদিল্লিঃ লোকসভা নিৰ্বাচনের আট দিন আগে মঙ্গলবার নিৰ্বাচনী ইস্তাহার প্ৰকাশ করল কংগ্ৰেস। কংগ্রেসের এবারের ইস্তাহারে প্রাধান্য পেয়েছে ন্যূনতম আয় যোজনা ‘ন্যায়’, জম্মু কাশ্মীরের জন্য উন্নয়নের নয়া কর্মসূচি, জিএসটির ধাপ কমানো, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা ইস্যু। কংগ্ৰেসের সৰ্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধি বলেন, বেকারি দূরীকরণ, কৃষকদের সমস্যা মেটানো ও নারী সুরক্ষায় তাঁদের জোর দেওয়া হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন- কৃষকরা ঋণ নিয়ে শোধ করতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের হবে না। ৩১ মাৰ্চ ২০২০ মধ্যে ২২ লক্ষ সরকারি শূন্য পদ পূরণ, গ্ৰাম পঞ্চায়েতে হবে ১০ লক্ষ মানুষের চাকরির প্ৰতিশ্ৰুতি দিয়েছেন রাহুল। ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, ক্ষমতায় এলে প্রথম দিনেই রাফাল চুক্তি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হবে। ইস্তেহারের প্রচ্ছদে লেখা ‘হাম নিভায়েঙ্গে’, অৰ্থাৎ আমরা করব। এর আগেই কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি জানিয়েছেন, নীতি আয়োগ তুলে দেওয়া হবে। ইস্তেহার প্রকাশের আগে একটি ভিডিও উপস্থাপনায় দরিদ্রদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা, কৃষকদের জন্য নানা ধরনের কর্মসূচি, নারী সুরক্ষা, বেকার সমস্যা সমাধানের কথা বলা হয়েছে। এদিন ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সোনিয়া গান্ধি, মনমোহন সিং, পি চিদম্বরমের মতো নেতারা। ইস্তোহারের নাম দেওয়া হয়েছে জনগণের কণ্ঠ। এদিকে কংগ্ৰেসের ইস্তেহার বিপজ্জনক, যা কখনই বাস্তব করা সম্ভব নয়, এই দাবি অৰ্থমন্ত্ৰী অরুণ জেটলির। ইস্তাহারে মিথ্যের ললিপপ দেখিয়েছে কংগ্ৰেস, এই কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা মুখতার আব্বাস নকবি। তৃণমূলের দেখানো পথেই কংগ্ৰেসের ইস্তাহার, খোঁচা তৃণমূল নেতা পাৰ্থ চট্টোপাধ্যায়ের।









কোন মন্তব্য নেই