Header Ads

কার্বি পাহাড়ে বিজেপি দলের মধ্যে অর্ন্তদ্বন্দ্বে দল ছাড়লেন বিজেপির ৩ শীর্ষ নেতা সহ প্রায় ১২০০ কর্মী

বিপ্লব দেব, হাফলংঃ দ্বিতীয় পর্যায়ে লোকসভা নির্বাচনের আগে কার্বি-আংলং জেলায় বিজেপি অনেকটা ব্যাকফুটে রয়েছে। দলের অর্ন্তকলহে এবার কার্বি-আংলং বিজেপিতে দেখা দিয়েছে বিদ্রোহ গেরুয়া শিবিরের ৩ শীর্ষ স্থানীয় নেতা বিজেপি ছেড়ে এবার কংগ্রেসে যোগ দিলেন। কার্বি স্বশাসিত পরিষদের সিইএম তুলিরাম রংহাং-য়ের দলের পুরনো ও বরিষ্ঠ কর্মীদের অবজ্ঞা করা নিয়ে কার্বি পাহাড়ে বিজেপির নেতা কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়। এই অবস্থায় কার্বি-আংলং জেলা বিজেপির মুখপাত্র রতন ইংতি, ডেনিয়েল ইংতি ও কৃষান দেব সাহানী সহ প্রায় ১২০০ বিজেপি কর্মী কংগ্রেস দলে যোগ দেন শুক্রবার। বিজেপি নেতা রতন ইংতি বলেন- কার্বি স্বশাসিত পরিষদে ক্ষমতায় থাকা বিজেপি পরিষদের সঙ্গে কার্বি-আংলং জেলা বিজেপির তেমন সমন্বয় নেই সিইএম তুলিরাম রংহাং দলের বরিষ্ঠ ও পুরনো নেতা কর্মীদের অবজ্ঞা  নিজের খেয়াল খুশি মত কাজ করে চলেছেন। এতে দলীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিজেপির পুরনো নেতা কর্মীদের এভাবে অবজ্ঞা করার জন্য বিজেপিকে লোকসভা নির্বাচনে অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে বলে জানান রতন ইংতি। বিজেপি নেতা কৃষান দেব সাহানী ব্যাপক ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন- তুলিরাম রংহাং এক নায়কত্ব কায়েম করে রাখার দরুন দলের মধ্যে এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এদিকে রাজ্য বিজেপির উপ-সভাপতি লাংচু ফাংচু বলেন  -কার্বি-আংলং জেলা বিজেপির পুরনো নেতা কর্মীদের অবজ্ঞা করার জেরে দলের মধ্যে যে অর্ন্তদন্দ্ব দেখা দিয়েছে এর ফলে নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে। লংচিং ফাংচু কার্বি পরিষদের সিইএম-এর এধরনের মনোভাবের তীব্র সমালোচনা করে বলেন- নির্বাচনে বিজেপিকে বেকায়দায় ফেলবে তা এক প্রকার নিশ্চিত। এদিকে কংগ্রেস প্রার্থী বীরেন সিং ইংতি বলেন- বিজেপির প্রার্থী হরেন সিং বে প্রাক্তন এক জঙ্গি নেতা ইউপিডিএসের চেয়ারম্যান থাকাকালীন বহু নিরীহ হিন্দিভাষী মানুষকে খুন করেছে। এমনকি কার্বি-ডিমাসা জাতি দাঙ্গায় এই হরেন সিং বে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিল বলে গুরুতর অভিযোগ তোলেন বীরেন সিং ইংতি। সাংসদ হওয়ার আগেই যদি মানুষ হত্যায় জড়িত হরেন সিং বে তাহলে সাংসদ নির্বাচিত হলে তিনি যে আরও কি করবেন তা সহজে অনুমেয় বলে উল্লেখ করেন কংগ্রেস প্রার্থী বীরেন সিং ইংতি। এই অবস্থায় দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্বাচনের আগে কার্বি পাহাড়ে বিজেপি দলের মধ্যে অস্বস্তি বেড়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.