অসম বিধানসভার ৮২ তম প্ৰতিষ্ঠা দিবস উদযাপন
নয়া ঠাহর প্ৰতিবেদন, গুয়াহাটিঃ অসম বিধানসভার ৮২ তম প্ৰতিষ্ঠা দিবস উদযাপন হল রবিবার। এদিন সচিবালয়ের মূল প্ৰেক্ষাগৃহে প্ৰদীপ প্ৰজ্জ্বলন করে অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করেন বিধানসভার অধ্যক্ষ হিতেন্দ্ৰ নাথ গোস্বামী। তিনি বিধান সভার সমস্ত কৰ্মীদের নিষ্ঠা সহকারে দায়িত্ব কৰ্তব্য পালন করার আহ্বান জানান। সেইসঙ্গে তিনি এও জানান- এখন থেকে প্ৰতি বছর ৩টি করে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। বিধানসভা নিয়ে গবেষণামূলক বই প্ৰকাশের জন্য আগ্ৰহী ব্যক্তিকে সচিবালয় থেকে সহযোগিতা করা হবে বলে জানালেন তিনি। অনুষ্ঠানে সংসদীয় পরিক্ৰমা মন্ত্ৰী চন্দ্ৰমোহন পাটোয়ারি ১৯৩৭ সালের ৭ এপ্ৰিলে সেসময় অসমের রাজধানী শিলঙে ১০৮ জন বিধানসভার সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া অসম বিধানসভার প্ৰথম অধিবেশনের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা তুলে ধরেন। এছাড়াও তিনি বিধাআন সভা চত্ত্বরে রাজ্যের মৌলিক সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা করেন। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্ৰাক্তন মন্ত্ৰী থানেশ্বর বড়ো এবং প্ৰাক্তন বিধায়িকা মৃদুলা শহরিয়া। দুজনই বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে রাজ্যে উচ্চ সদনের প্ৰয়োজনীয়তা এবং প্ৰাক্তন বিধায়কদের সমস্যার ওপর আলোকপাত করেন। এদিনের অনুষ্ঠানে ‘অসম বিধান সভা’ শীৰ্ষক একটি স্মারকগ্ৰন্থ উন্মোচন করেন রাজ্যের প্ৰাক্তন মুখ্যমন্ত্ৰী প্ৰফুল্ল কুমার মহন্ত। বিধানসভার প্ৰধান সচিব মৃগেন্দ্ৰ কুমার ডেকা স্বাগত ভাষণ দেন। শ্ৰেষ্ঠ বিধায়কের পুরস্কার দেওয়া হয় এআইইউডিএফ বিধায়ক হাফিজ বশির আহমেদ কাশিমীকে, শ্ৰেষ্ঠ সাংবাদিকের পুরস্কার দেওয়া হয় ‘দ্য সেন্টিনেল’ গোষ্ঠীর বরিষ্ঠ সাংবাদিক ভবেন ঘিমিরেকে এবং বিধানসভা সচিবালয় সমিতির কৰ্মী মাধব ছেত্ৰীকে নিজের কৰ্মক্ষেত্ৰে নিষ্ঠা এবং সততার সঙ্গে কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ শ্ৰেষ্ঠ কৰ্মচারীর পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়। প্ৰসঙ্গত, পুরস্কারে পাওয়া এক লক্ষ টাকা শহিদ সাহায্য তহবিলে দান করে দেন এআইইউডিএফ-এর বিধায়ক হাফিজ বশির আহমেদ কাশিমী। এদিনের অনুষ্ঠানে বহু প্ৰাক্তন বিধায়ক তথা বৰ্তমানের বিধায়কদের উপস্থিতি ছিল।









কোন মন্তব্য নেই