অসমের বাঙালিদের তৃণমূল কংগ্রেস বাঁচাতে পারবে কি? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের
কলকাতা থেকে অমল গুপ্ত
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের প্রতিটি জেলায় অসমের এনআর সি, নাগরিত্বের বিল, ডি ভোটারকে অসমের হিন্দু , মুসলিম বাঙালিদের হেনস্থার কথা বলে প্রচুর হাততালি কুড়াচ্ছেন অসমে তৃণমূল কংগ্রেস ১০ প্রার্থী দিয়েছেন। বাঙালিদের দুঃখ যন্ত্রনার কথা , হেনস্থার কথা বলার কেও নেই। বরাক ব্রহ্মপুত্র উপাত্যকায় নিবার্চনী প্রচারে কোনও জোর ছিল না। কোনও জৌলুস ছিল না। মমতা ধুবড়িতে প্রচারে এসে বিশেষ কোনও প্রভাব ফেলতে পারেন নি। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি প্রাক্তন বিধায়ক গোপীনাথ দাসকে এবং বরাকের এক সাংবাদিক শঙ্কর দাসকে দলের চার্জ দেওয়া হয়েছে। এখনও ধুবড়ি , বরপেটা, গুয়াহাটি, কোকড়াঝাড় কেন্দ্রে ভোট বাকি। ২৩ এপ্রিল তৃতীয় তথা শেষ দফার ভোট অসমে। তৃণমূলের কোনও নেতা নেই, কোথাও ব্যানার , পোস্টার চোখে পড়ে না, সভা সমিতি কোথায়? বড় লজ্জা ও পরিতাপের কথা, বিজেপি কংগ্রেস দল যেখানে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করছে , তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের হাতে কানাকড়িও নেই। ১০ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। নগাঁও কেন্দ্রে সারা অসম বাঙালি যুব ছাত্র ফেডারেশন প্রতিষ্ঠাতা তথা আইনজীবী সহদেব দাসকে প্রার্থী করা হয়েছিল, ওই কেন্দ্রের বাঙালি ভোটারদের ভরসায় তিনি প্রার্থী হয়েছেন। ভোটারদের পাশে যেতেও তো গাড়ি দরকার, তেল কেনার পয়সা কোথায়? তৃণমূলের সবচেয়ে ভাল প্রার্থী সহদেব দাস। তাঁর অবদান অনেক। কিন্ত তাঁর পাশে দিদি নেই, দলও ছিলনা। এরপরেও তিনি জিতবেন কি? অসমে বাঙালিরা বারবার ঠগেন, বিজেপিকে ভোট দিয়ে ঠোগেচে, কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে ঠগেছে। এবার কাকে ভোট দিয়ে ঠগবে? অসমের হিন্দু, মুসলিম বাঙালিদের বাঁচাতে পারবেন কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দল? অসমের বাঙালিদের নিজেদের সমস্যা নিজেদেরকেই সমাধান করতে হবে। নিজেদের মেরুদণ্ড শক্ত করতে হবে। এমনই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লষকরা।









কোন মন্তব্য নেই