প্রতীক্ষার অন্ত, তেজপুর কেন্দ্ৰের বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন মন্ত্রী পল্লব লোচন দাস
দেবযানী পাটিকর, গুয়াহাটিঃ বহু প্রতিক্ষার শেষে বিজেপি ঘোষণা করল তেজপুর কেন্দ্ৰের প্রার্থীর নাম। মন্ত্রী পল্লব লোচন দাস হবেন তেজপুর কেন্দ্ৰের বিজেপির প্রার্থী। শুক্রবার রাত বারোটার পরে বিজেপি প্রকাশ করেছে প্রার্থীর নাম। উল্লেখ্য, রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা তেজপুর কেন্দ্ৰ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল। শেষ মুহূর্তে তাঁকে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা। শেষ মুহূর্তে বিজেপির মন্ত্রী পল্লব লোচন দাসকে দেওয়া হল তেজপুর কেন্দ্ৰের প্রার্থিত্ব। কংগ্রেসের এমজিভিকে ভানুর সঙ্গে হবে পল্লব লোচন দাসের নির্বাচন নিয়ে যুদ্ধ। প্রথম বার লোকসভা নির্বাচনে অবতীর্ন হবেন বিজেপির সৰ্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। এবার গুজরাটের গান্ধীনগর থেকে অবতীর্ন হবেন তিনি। এর আগে বিজেপির পিতামহ স্বরূপ লাল কৃষ্ণ আদবাণী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন গান্ধীনগর লোকসভা আসন থেকে। এবার তাঁর স্থানে নির্বাচন খেলবে বিজেপির সৰ্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার বিজেপির ঘোষণা করা প্রথম প্রার্থী তালিকায় আদবানীর স্থানে প্রার্থিত্ব প্রদান করা হল অমিত শাহকে।
ওদিকে নাডার আহ্বায়ক হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এবার নির্বাচনে প্ৰাৰ্থিত্বের লড়াইয়ে নেই। তিনি উত্তর পূর্বাঞ্চলের নির্বাচনের প্রচার চালাবেন। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের সাথে তিনি ডিব্রুগড় কেন্দ্ৰের বিজেপি প্রার্থী রামেশ্বর তেলির মনোনয়নপত্র দিতে গিয়েছিলেন। এই নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে বিজেপির অন্দরমহলে। মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে নির্বাচনের প্রচারের জন্য কেন্দ্ৰীয় নেতৃত্ব নির্বাচন খেলতে দিলেন না। দেশের ৫৪৩টি কেন্দ্ৰের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে রয়েছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নির্বাচনী প্রচার চালানোর দায়িত্ব দিয়ে শেষ মুহূর্তে নির্বাচনে যুদ্ধ থেকে সরিয়ে আনা হল রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে। ওদিকে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শুরু করেছে।দিকে এআইইউডিএফের বদরুদ্দিন আজমল বলেন যে কংগ্রেসের জন্য দরজা খোলা রয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেস দল সম্পর্কে বিজেপির অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেছে কংগ্রেস।
ওদিকে নাডার আহ্বায়ক হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এবার নির্বাচনে প্ৰাৰ্থিত্বের লড়াইয়ে নেই। তিনি উত্তর পূর্বাঞ্চলের নির্বাচনের প্রচার চালাবেন। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের সাথে তিনি ডিব্রুগড় কেন্দ্ৰের বিজেপি প্রার্থী রামেশ্বর তেলির মনোনয়নপত্র দিতে গিয়েছিলেন। এই নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে বিজেপির অন্দরমহলে। মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে নির্বাচনের প্রচারের জন্য কেন্দ্ৰীয় নেতৃত্ব নির্বাচন খেলতে দিলেন না। দেশের ৫৪৩টি কেন্দ্ৰের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে রয়েছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নির্বাচনী প্রচার চালানোর দায়িত্ব দিয়ে শেষ মুহূর্তে নির্বাচনে যুদ্ধ থেকে সরিয়ে আনা হল রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে। ওদিকে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শুরু করেছে।দিকে এআইইউডিএফের বদরুদ্দিন আজমল বলেন যে কংগ্রেসের জন্য দরজা খোলা রয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেস দল সম্পর্কে বিজেপির অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেছে কংগ্রেস।









কোন মন্তব্য নেই