প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও যোরহাটের ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রয়েছেন ৬১ বছরের বৃদ্ধা
নয়া ঠাহর প্ৰতিবেদন, গুয়াহাটিঃ বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে ডি ভোটার সমস্যার সমাধান হবে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে বর্তমানের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাঙালিদের। কিন্তু এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান আজ পর্যন্ত হল না। এই অভিযোগ সারা আসাম বাঙালি যুব ছাত্র ফেডারেশনের তিনসুকিয়া জেলা সমিতির। সমিতির সভাপতি অজিত দেবনাথ ও সম্পাদক শুভ্র দীপ নন্দী এক প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন- ডুমডুমা উচা মাটি গ্রামের বাসিন্দা ৬১ বছরের বৃদ্ধা পারুল বালা পালকে প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকের নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও ২০১৮ সাল থেকে বিদেশি সন্দেহে যোরহাট ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে । পারুল বালা পালের পিতা ১৯৪২ সালের ভারতীয় রেল বিভাগের একজন কর্মচারী ছিলেন। পারুল বালা ডিব্রুগড় নালিয়াপুল বেঙ্গলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন । এই বৃদ্ধা মহিলাকে বিদেশী অপবাদে যোরহাট ডিটেনশন ক্যাম্পে নিয়ে যায় আসাম সীমান্ত পুলিশ । পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ভারতীয় নাগরিকত্বের বৈধ প্রমাণপত্র থাকা সত্ত্বেও এ বৃদ্ধা মহিলা ডিটেনশন ক্যাম্পে জীবন অতিবাহিত করছেন । বাঙালি যুব ছাত্র ফেডারেশনের এই ঘটনাকে অগণতান্ত্রিক ও অমানবিক বলে উল্লেখ করেছে। তারা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পারুল বালাকে যত শীঘ্ৰ সম্ভব মুক্তি করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে । এখনও অবধি পারুল বালা পালের মামলাটি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। ওদিকে ফেডারেশন এর তরফ থেকে বিষয়টি নিয়ে সাংসদ প্রদান বড়ুয়াকে জানানো হয়েছিল যেহেতু পারুলবালা প্রদান বড়ুয়া লোকসভা কেন্দ্রের বাসিন্দা কিন্তু তিনিও এ বিষয়ে কোনও সহযোগিতা করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।








কোন মন্তব্য নেই