সাংসদের আদৰ্শ গ্ৰাম পঞ্চায়েত মানকাচর কুছনিমারার উন্নয়ন কখন হবেঃ আজমলকে প্ৰশ্ন মানকাচরবাসীর
নয়া ঠাহর প্ৰতিবেদন, মানকাচরঃ অবশেষে পাঁচ বছরের মাথায় ফের এল লোকসভা নিৰ্বাচন। জনপ্ৰতিনিধিরা ফের একবার ভোটারদের কাছে এসে প্ৰতিশ্ৰুতির খৈ ফোটাবেন। ক্ষমতায় এলে এটা করে দেব, ওটা করে দেব একের পর এক প্ৰতিশ্ৰুতি দিয়ে গরীব, সহজ-সরল মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করবেন। সে যেই হোক না কেন। ভোট চলে যাওয়ার পর আবার যেই কি সেই। এই প্ৰতিবেদনে এআইইউডিএফ-এর নেতা বদরুদ্দিন আজমলের কথাই ধরে নেওয়া যাক। ২০০৫ সালে অসমে এআইইউডিএফ রাজনৈতিক দলটি দিয়েই ২২ নং দক্ষিণ শালমারা বিধানসভা কেন্দ্ৰ থেকে রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করেছিলেন তিনি। তখনকার প্ৰভাবশালী নেতা তথা প্ৰাক্তন মন্ত্ৰী ওয়াজেদ আলিকে হারিয়ে এআইইউডিএফ দক্ষিণ শালমারা সেইসঙ্গে মানকাচার কেন্দ্ৰেও নিজের ভিত যথেষ্ট শক্ত করেছিলেন। এরপর ২০০৯ সালে লোকসভার নিৰ্বাচনে বিধায়কের পদ ছেড়ে ধুবড়ির সাংসদ হিসেবে প্ৰতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। সে সময় সাংসদ এলাকার ১০টি কেন্দ্ৰের মধ্যে শুধুমাত্ৰ মানকাচার কেন্দ্ৰ থেকেই দেড় লক্ষ ভোটের মধ্যে প্ৰায় এক লক্ষ ভোট পান মৌলানা বদরুদ্দিন আজমল। সংখ্যালঘুর ত্ৰাণকৰ্তা এবং ধৰ্মীয় গুরু বলে ভেবে মানকাচারবাসী রেকৰ্ড সংখ্যক ভোট দিয়ে আজমলকে জয়ী করায়। তারপর তিনি দিল্লির রাজনীতিতে চলে যান। সেই বদরুদ্দিন আজমল মানচারবাসীর উন্নতির জন্য কি করেছেন- বৰ্তমানে তা নিয়েই উঠেছে প্ৰশ্ন। মানকাচারের গ্ৰাম পঞ্চায়েতের মধ্যে সবচেয়ে দরিদ্ৰ পঞ্চায়েত হচ্ছে কুছনিমারা গ্ৰাম পঞ্চায়েত। সেখান থেকেই অভিযোগ উঠেছে- বিজ্ঞানের যুগেও এই গ্ৰাম পঞ্চায়েতের অধীনে একাংশ মানুষের ঘরে নেই শৌচালয়, নেই মাথা গোজার জন্য উপযুক্ত ঘর, নেই বিশুদ্ধ পানীয় জল, পরিবহন ব্যবস্থা শোচনীয়। ওই গ্ৰাম পঞ্চায়েতের ৮০ শতাংশ মানুষই কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত। উৎপাদিত শাকসব্জি মেঘালয়ে নিয়ে বিক্ৰি করে উপাৰ্জিত অৰ্থ দিয়ে পরিবার প্ৰতিপালন করে। গ্ৰামটি আদৰ্শ গ্ৰাম পঞ্চায়েতের স্বীকৃতি পেলেও সেখানে কৃষি উৎপাদিত শাকসব্জি রাখার জন্য নেই কোনও হিম ঘর। কাজেই এই সমস্ত কিছুর ওপর ভিত্তি করেই এবারের লোকসভা নিৰ্বাচনে এআইইউডিএফ-এ ভোটের সংখ্যা আগের থেকে অনেকটাই হ্ৰাস পাবে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।









কোন মন্তব্য নেই